চলতি হিসাববছরের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ১৬ কোম্পানি। এর মধ্যে ইপিএস বেড়েছে ১১ কোম্পানির ও কমেছে পাঁচ কোম্পানির। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস এক পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৩৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ৩২ পয়সা।
রূপালী ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৪৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৫ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস দুই পয়সা কমেছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৭০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ৬৮ পয়সা।
সাউথইস্ট ব্যাংক: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৮৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ১২ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ২৮ পয়সা কমেছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে দুই টাকা ৩৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল দুই টাকা ২৪ পয়সা।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৬৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪২ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ২৩ পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৬৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ২৯ পয়সা।
নিটল ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৫২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪২ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ১০ পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৯৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ৮২ পয়সা।
রূপালী ব্যাংক: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৯ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস চার পয়সা কমেছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৫০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৭২ পয়সা।
রেকিট বেনকিজার (বিডি): তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২২ টাকা ৫১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২০ টাকা ৬৩ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস এক টাকা ৮৮ পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৪১ টাকা ৮৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৪৬ টাকা ২৮ পয়সা।
প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২০ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ১৩ পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৬৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৬৪ পয়সা।
জনতা ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২১ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস তিন পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৭০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৬৪ পয়সা।
পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ১২ পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৭৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা তিন পয়সা।
মালেক স্পিনিং মিলস: প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ১৬ পয়সা বেড়েছে।
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে সাত টাকা ৩৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল পাঁচ টাকা ৭১ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস এক টাকা ৬৪ পয়সা বেড়েছে। দুই প্রান্তিকে বা ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ১৪ টাকা ৭৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১৪ টাকা ৯১ পয়সা।
ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৯ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস দুই পয়সা বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ৪১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৩৩ পয়সা।
মাইডাস ফাইন্যান্সিং: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৪ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ২৪ পয়সা কমেছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে ২৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ২৩ পয়সা।
মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স: তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩১ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস আট পয়সা কমেছে। তিন প্রান্তিকে বা ৯ মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ২৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ২৪ পয়সা।
রহিম টেক্সটাইল মিলস: প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে দুই টাকা ২৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ৯৫ পয়সা বেড়েছে।

অর্থকথা/