পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিলেন কমিশনার অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী।

গত ২ মে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের চার বছরের চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হয়েছে।

এতদিন তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিষ্টেমস বিভাগের সঙ্গে অধ্যাপনা থেকে ডেপুটেশন নিয়ে বিএসইসিতে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ডেপুটেশনের মেয়াদ শেষ হওয়া তিনি পূর্বের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এর ফলে বিএসইসি’র আরো একটি কমিশনারের পদ ফাঁকা হলো। বর্তমানে বিএসইসিতে কমিশনারের তিনটি পদ শূন্য রয়েছে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে করোনাভাইরাস সংক্রামণের প্রভাবে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর করোনা পরিস্থিতি স্বভাবিক না হওয়ায় পাঁচ দফা সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ৫ মে পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। তবে করোনা পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক না হওয়া ছুটির মেয়াদ আবারও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। ফলে সাধারণ ছুটির কারণে সরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কমিশনার হেলাল উদ্দিন নিজামীকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো সম্ভব হয়নি।

২০১০ সালের পুঁজিবাজারে ধসে পর গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের আলোকে বিএসইসিকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালের ৪ মে বিএসইসিতে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী। তিনি প্রথমবার ৩ বছরের জন্য নিয়োগ পান। এরপর আবার তিনি ৪ বছরের জন্য পুনঃনিয়োগ পান। সর্বশেষ তাকে আরো ২ বছরে জন্য নিয়োগ দেয় সরকার, যার মেয়াদ চলতি বছরের ২ মে শেষ হয়েছে।

হেলাল উদ্দিন নিজামী বিএসইসিতে যোগদানের আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিষ্টেমস বিভাগে অধ্যাপনা করেন। তিনি বাণিজ্য বিভাগে ১৯৮০ সালে এসএসসি ও ১৯৮২ সালে এইচএসসি পাস করেন। আর ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে স্নাতক ও ১৯৯০ সালে ফিন্যান্সে স্নাতকোত্তর করেন।

বিজে/জেডআই