পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের ফের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। সূচকের পতন, দৈনিক লেনদেন কমে যাওয়া, সূচক সামান্য বাড়লেও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারে দরপতনকে ঘিরে বিনিয়োগকারীদের অনাস্থা তৈরি হয়েছে।

আজ সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেনের শুরুতে উত্থান থাকলেও ৪০ মিনিট পর সেল প্রেসারে টানা নামতে থাকে সূচক। শেষ দিকে একবার ঘুঁড়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ব্যাহত হয় বাজার। বুধবার লেনদেন শেষে সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। আজ দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৬৮ কোটি ৮৭ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

আজ দিন শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫৬৮৬ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ০.৫১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩০৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৯৯৩ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৪৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৫টির, কমেছে ১৮০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টির। আর দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৫৬৮ কোটি ৮৭ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

এর আগের কার্যদিবস দিন শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৫৬৮৭ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১৩০৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৯৯৫ পয়েন্টে। আর ওইদিন লেনদেন হয়েছিল ৫৭৫ কোটি ১৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। সে হিসেবে আজ ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

এদিকে দিন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক সিএসইএক্স ৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১০ হাজার ৫৫৩ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কোম্পানির ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯৩টির, কমেছে ১১৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির। আর দিন শেষে লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৫৩ লাখ ১২ হাজার টাকা।