ঋণ-আমানত অনুপাত বা এডিআর সীমার বাইরে রয়েছে ২০ ব্যাংক। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে ১০ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্রাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইসলামী ব্যাংকের এডিআর কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে ৯০.৮০ শতাংশে উঠেছে। এক বছর আগে যা ছিল ৮৭.৮০ শতাংশ।

এক্সিম ব্যাংকের এডিআর এক বছরে ৮৫.৫২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৩.৭৮ শতাংশ হয়েছে। ইউনিয়ন ব্যাংকে ৯৩ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ৯২.৬৮ শতাংশ, এসআইবিএল ৯১.৪৬ শতাংশ ও আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকের এডিআর ৯০.৮২ শতাংশ। আর প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর মধ্যে নতুন করে এ তালিকায় যুক্ত হওয়া মিডল্যান্ড ব্যাংকের এডিআর ৮১.৫২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮৮ শতাংশে উঠেছে। এনআরবি ব্যাংকে ৮৮ শতাংশ, মার্কেন্টাইলে ৮৬.৩৫ শতাংশ ও মধুমতি ব্যাংকের এডিআর ৮৫.০৬ শতাংশ হয়েছে।

বেসিক ব্যাংকের এডিআর ১০০ থেকে বেড়ে ১১৩ শতাংশে উঠেছে। ফারমার্স থেকে পদ্মায় রূপান্তরিত ব্যাংকের ১০৫ থেকে বেড়ে ১১৭ শতাংশ হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ন্যাশনাল ব্যাংকে ৯৫.৫১ শতাংশ, এবি ব্যাংকে ৯১ শতাংশ, আইএফআইসিতে ৮৬.৪৮ শতাংশ, এনআরবি গ্লোবালে ৮৬.২৮ শতাংশ এবং শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংকের এডিআর বেড়ে ৯০.৩২ শতাংশ হয়েছে। সীমার ওপরে থাকলেও পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে কয়েকটি ব্যাংকের। এর মধ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের এডিআর ১০৬ শতাংশ থেকে কমে ১০৫ শতাংশ, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের ৯০ শতাংশ থেকে ৮৬ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের কমে দাঁড়িয়েছে ৮৫.৬৫ শতাংশ।

ঋণ প্রবৃদ্ধি ব্যাপক বাড়তে থাকায় ব্যাংকগুলোর এডিআর কমানোর নির্দেশনা দিয়ে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এডিআর কমিয়ে প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর জন্য ৮৩.৫০ শতাংশ এবং ইসলামী শরিয়াভিত্তিক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর জন্য ৮৯ শতাংশে নামিয়ে আনতে বলা হয়। আগে যা ৮৫ ও ৯০ শতাংশ ছিল।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, যেসব ব্যাংকের এডিআর নতুনভাবে নির্ধারিত সীমার ওপরে রয়েছে, তাদের ধীরে ধীরে তা নামিয়ে আনতে হবে। ওই সময় ১৪টি ব্যাংকের এডিআর ছিল নির্ধারিত সীমার ওপরে। কমিয়ে আনার জন্য প্রথমে সময় দেওয়া হয় গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত। তবে পরবর্তীতে চার দফায় সময় বাড়িয়ে সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দেশনার পর শুধু প্রিমিয়ার, মেঘনা, দি সিটি ও ট্রাস্ট ব্যাংক সীমার নিচে নেমেছে।