এ নগরীতে কি বসন্ত বয়, বাতাসে কি বসন্তের গুঞ্জন শোনা যায়! হ্যাঁ এই ক্লান্ত শহরেও বসন্তের হাওয়া বয়ে চলেছে। এবারের বসন্ত বরনটা হবে একটু ভিন্ন ধারার ,নগরীর কোলাহল হয়তো বারাবেনা। বসন্তের আগমনে তবুয়ও নিজের মত করে বেক্তি জীবনে প্রানের আস্বাদ ঠিক খুজে নিচ্ছেন নগরবাসী। তার সাথেই তাল মিলিয়ে নানান রঙ-বেরং এর কাজ এর সমারোহ নিয়ে বসন্ত বরণ প্রস্তুতি নিচ্ছে অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘চারুপট’।

বাঙ্গালীদের উৎসব মানেই শাড়ি আর পাঞ্জাবী। এবারো কি তাই হবে নাকি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বদলাবে তরুন তরুণীদের পোশাকের ধরন!! এসব নানা বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েই চারুপটের গহনা গুলো তৈরি করা হয়েছে। যেন খুব সহজেই যেকোন গহনা যেকোন পোশাকের সাথে পরা যায়।

পহেলা ফাল্গুন মানেই হলুদ, বাসন্তী আর কমলার মেলা। কেবল বাসন্তী-কমলার ভিড়ে যেন হারিয়ে যেতে না হয় তাই গহনার ডিজাইনার সুমাইয়া নুসরাত (জারা) এবার কাজ করছেন বাহারি সব রঙ নিয়ে। আর তাদের গহনার কালেকশনে যুক্ত হয়েছে নানান সব প্রাকৃতিক পাথর আর বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহকৃত ধাতু।

সামুদ্রিক কোরাল এর তৈরী গহনাগুলো দেখতে অসাধারণ। যে কোনো মানুষের নজর কাড়বে। কোরাল দিয়ে অনেক রকম গহনা তৈরী করা হলেও ছবির মতো মালা খুব কম চোখে পড়ে। কোরাল শ্রেণীর এই পাথরগুলো আমাদের সমুদ্র কুলবর্তী অঞ্চলে খুব এক দেখা যায় না তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহ করতে হয়।

আর এই মালা গাঁথার জন্য প্রত্যেকটি কোরাল কে এক একটি ধরে ধরে হাতে মালা গাঁথার জন্য প্রস্তুত করতে হয়। বুননের সময় নির্ভর করে মালার দৈর্ঘের উপ। এক একটি মালা তৈরিতে প্রায় এক সপ্তাহ(3-7) সময়ও লেগে যায়। আরও বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসুন চারুপটের পাতা থেকে। টের

চারুপটের পাতা দেখতে এখানে ক্লিক করুন-