করোনার প্রভাবে থমকে গেছে ক্রিকেটও। এমন অবস্থায় প্রভাবশালী ক্রিকেট বোর্ডগুলো আইসিসি ইভেন্টের পরিবর্তে, আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাড়তি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে চাইবে। ‘সময় সংবাদে এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবি’র সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী। তবে বাংলাদেশের মতো ক্রিকেট বোর্ডের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার সুযোগ কমে যেতে পারে।

যে ময়দান মুখরিত হয়ে থাকতে ক্রিকেটার থেকে সমর্থকদের উল্লাসে। সেই মাঠ নীবর দিনের পর দিন ধরে। এক করোনার ভয়াল গ্রাসে ক্রিকেট বিশ্বের ক্যানভাস এখন এক রকম শ্মশান পুড়িতে পরিণত। হাহাকার সর্বত্র। চার দেয়ালের মাঝে বন্ধী ক্রিকেটের সব স্বপ্ন। একের পর এক সিরিজ স্থগিত হওয়ায় মোটা অংকের অর্থ লোকসান হচ্ছে ক্রিকেট খেলুড়ে সব দেশগুলোর।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড আর্থিক ক্ষতির সামলে নিতে এই মহামারীর মধ্যেই দর্শক শূন্য মাঠে খেলার পরিকল্পনা করছে। ভারত নীরব থাকলেও, শতকোটি টাকার লোকসান মেটাতে মরিয়া আইপিএল আয়োজনে। ক্রিকেট বিশ্বের এই তিন মোড়ল ক্রিকেট বোর্ড আর্থিক সংকট মেটাতে চাপ প্রয়োগ করবে ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আইসিসির ওপর। তাই বড় দলগুলো স্পন্সর ও খেলা সম্প্রচার থেকে আয়ের জন্য দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বেশি মনোযোগ দেবে। এমনটাই বলছেন সাবেক এই বিসিবি সভাপতি।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ভারতের আইপিএলের বাজার মূল্য প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। আইসিসির ভেতরেও অস্থিরতা কাজ করছে। ক্রিকেটের বড় ৩ দেশ চেষ্টা করবে এই সময় নিজেদের মধ্যে বেশি বেশি খেলার। বাংলাদেশের মত দলগুলোর খেলার সুযোগ সীমিত হয়ে যাবে। বড় ধরনের একটি আর্থিক ধাক্কায় পরতে হতে পারে।

প্রভাবশালী এই তিন ক্রিকেট বোর্ডের দড়ি টানাটানিতে কিছুটা হলেও, বেকায়দায় পড়বে আইসিসি। বিশ্লেষকদের মতে, তার চেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়তে পারে অন্য ক্রিকেট বোর্ডগুলো। তাই কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করবে বিসিবি’র জন্য।

উদ্ভূত এমন পরিস্থিতিতে প্রভাবশালী বোর্ডগুলো যেখানে নিজেদের স্বার্থ হাছিলে মরিয়া। সে ক্ষেত্রে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে, বাংলাদেশের সিরিজগুলো স্বনয়ের দূরদর্শিতাই হবে বিসিবির সামনে মূল চ্যালেঞ্জ।

বিজে/জেডআই