সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার কিছুটা পতনে শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। তবে আজ বাজার যতটা কমেছে, তারচেয়ে অনেক বেশি কমেছে ৬ খাতের শেয়ার দর। এসব খাতে ৬০ শতাংশ থেকে ৯৫ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। খাতগুলো হলে-বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রকৌশল, তথ্য প্রযুক্তি, ফার্মা ও রসায়ন, খাদ্য ও বস্ত্র খাত। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের শেয়ারের দর কমেছে সবচেয়ে বেশি। এখাতে দর কমেছে ৯৪.৭৪ শতাংশ কোম্পানির। খাতটির ১৯টি কোম্পানির মধ্যে দর কমেছে ১৮টির, বেড়েছে ১টির। নামমাত্র দর বেড়েছে যমুনা ওয়েলের। কোম্পানিটির দর বেড়েছে ০.৪০ টাকা। বাকি সবগুলো কোম্পানির দর কমেছে।
দর পতনের দ্বিতীয় খাত ছিল ফার্মা ও রসায়ন খাত। এখাতে দর কমেছে৭৪.৩৬ শতাংশ কোম্পানির। এখাতে লেনদেন হওয়ার ৩১টি কোম্পানির মধ্যে দর কমেছে ২৬টির, বেড়েছে ৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১টির।দর বেড়েছে কেয়া কসমেটিক্স, রেকিট বেনকিজার ও নামামাত্র বেক্সিমকো ফার্মার। দর অপরিবর্তিত ছিল এএফসি এগ্রোর।
দর পতনের তৃতীয় খাত ছিল তথ্য প্রযুক্তি খাত। এখাতে দর কমছে ৮০ শতাংশ কোম্পানির। খাতটির ১০টি কোম্পানির মধ্যে দর কমেছে ৮টির, বেড়েছে ১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১টির। দর বেড়েছে ডেফোডিল কম্টিউটার্সের। আর দর অপরিবর্তিত ছিল আমরা টেকনোলজির। বাকি সবগুলো কোম্পানির দর কমেছে। গতকালও এখাতের প্রাইস কারেকশন হয়েছে।
দর পতনের চতুর্থ খাত ছিল প্রকৌশল খাত। এখাতে দর কমছে ৭৪.৩৬ শতাংশ কোম্পানির। খাতটির ৩৯টি কোম্পানির মধ্যে দর কমেছে ২৯টির, বেড়েছে ৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টির। দর বেশি কমেছে ইমাম বাটন. জিপিএইচ ইস্পাত, আনোয়ার গ্যালভেনাইজিং ও আাজিজ পাইপের।
দর পতনের পঞ্চম স্থানে ছিল খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত। এখাতে দর কমছে ৬৪.৭১ শতাংশ কোম্পানির। খাতটির ১৭টি কোম্পানির মধ্যে দর কমেছে ১১টির, বেড়েছে ৬টির। দর বেড়েছে বিএটিবিসি, প্রাণ, অলিম্পিক ইন্ডাষ্ট্রিজ, আরডি ফুড, শ্যামপুর সুগারের।
দর পতনের ষষ্ট খাত ছিল বস্ত্র খাত। এখাতে দর কমছে ৫৫৯.৬৫ শতাংশ কোম্পানির। এখাতে লেনদেন হওয়া ৫৫টি কোম্পানির মধ্যে দর কমেছে ৩৪টির, বেড়েছে ১৫টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির। বেশি দর কমেছে আমান কটন, কেডিএস গার্মেন্টস, তুংহাই নিটিং, মিথুন নিটিং ও দেশ গার্মেন্টসের।