ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) বিধিমালার বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের জন্য নতুন করে সময়সীমা নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭২৫তম নিয়মিত সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকার ঘোষিত ছুটির কারণে ট্রেক বিধিমালা, ২০২০ এর খসড়া গেজেটে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া জনমত জরিপের সময় পার হয়ে গেছে। তাই অফিস খোলার পরে জনমত জরিপের নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।

জানা গেছে, ট্রেক বিধিমালা প্রণয়নে নতুন সময়সীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে বিষয়টি পরবর্তীতে নেতৃত্বে আসা কমিশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। বর্তমান কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুলের হোসেন আগামী ১৪ মে অবসরে যাবেন। যার ফলে সময়ের স্বল্পতার কারণে জনমত জরিপে নতুন সময় সীমা নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। আর বর্তমান কমিশনের বিদায় বেলায় এমনটিই দাবি ছিল ডিএসইর ৩ শেয়ারহোল্ডার পরিচালকের।

এর আগে গত ২৫ মার্চ জনমত যাচাইয়ের জন্য মতামত চেয়ে ট্রেক বিধিমালার খসড়া প্রকাশ করে কমিশন। এতে ১ লাখ টাকা আবেদন ফি এবং ৫ লাখ টাকা নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ৩ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন ও ২ কোটি টাকা জামানত থাকার কথা বলা হয়। খসড়ায় পর্ষদের সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সম্মতি জানিয়েছিল ডিএসই। তবে ৩ জন শেয়ারহোল্ডার পরিচালকের এ বিষয়ে আপত্তি থাকলেও তা কমিশনকে অবহিত করা হয়নি। যারা খসড়া প্রকাশের পরে ফি নিয়ে আপত্তি তোলেন।

এ নিয়ে কেউ কেউ বিএসইসি চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের সঙ্গে আলাপ করেন এবং এই মুহূর্তে বিধিমালাটি প্রণয়ন না করার দাবি করেন। এই দাবির আলোকেই কমিশন ট্রেক বিধিমালা প্রণয়ন পরবর্তী বা নতুন কমিশনের হাতে দেওয়ার জন্য আজকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী, মিনহাজ মান্নান ইমন এবং মো. শাহজাহান স্বাগত জানিয়েছেন। একই সাথে সহমত পোষণ করেছেন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনোয়ার হোসেনও।

বিজে/