দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যকার বহুল আলোচিত বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠকে অংশ নিতে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন শুক্রবার সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী পানমুনজম গ্রামে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। এছাড়া দুই নেতা কোরিয়ার সীমান্ত হেঁটে অতিক্রম করার পর কিম জং বলেন, শান্তি ও সমৃদ্ধির একটি নতুন ইতিহাস এটি। খবর বিবিসি।

দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী বেসামরিক অঞ্চল পানমুনজমে দুই নেতাকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করতে দেখা গেছে। এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতারা এই প্রথম বৈঠকে বসলেন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশের আগে কিম জং উন দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুনকে উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ করার আহ্বান জানান। মুন সে আহ্বান রক্ষা করে সীমান্ত অতিক্রম করে কিম জং উনকে সঙ্গে করে আবার দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন।

এ সময় কিম ও মুন লাল গালিচার উপর দিয়ে হেঁটে যান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের তালে দুই নেতাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

শীর্ষ বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে তার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি রয়েছেন তার বোন কিম ইয়ো জং ও ৯০ বছর বয়সি হেড অব স্টেট কিম ইয়ং না।

দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী পানমুনজম গ্রামটি দক্ষিণ কোরিয়ার সীমানার মধ্যে পড়েছে। ১৯৫৩ সালে দুই কোরিয়ার মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দু’দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক করার স্থান হিসেবে এই গ্রামটিকে নির্ধারণ করা হয়। ওই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত গত ৬৫ বছরে উত্তর কোরিয়ার কোনো শীর্ষ নেতা দক্ষিণ কোরিয়ায় পা রাখেননি।