Human fist breaking cigarettes on white background

অর্থকথা ডেস্ক: ‘ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ – সিগারেটের প্যাকেটে আর পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপনে আমরা প্রায়ই দেখি ধুমপান নিয়ে এমন উপদেশ বাণী। কিন্তু কেউ কি মানেন এই উপদেশ? সিগারেট ছাড়বো ছাড়বো করেও ছাড়া হয়না। ইচ্ছাশক্তির দুর্বলতায় হার মেনে যান অনেকেই।

ধুমপান ছাড়ার জন্য পরিবেশও অনেকটা দায়ী। বন্ধুবান্ধবের পাল্লায় পড়ে অনেকেই সহজে ছাড়তে পারেন না। যারা এমন সমস্যার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন তাদের জন্য রয়েছে সমাধান। ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করেই ছাড়তে পারেন ধুমপান। চেষ্টা করেই দেখুন, দেওয়া হলো উপাদানগুলো –

মধু

মধুর বেশ কিছু ভিটামিন এবং প্রোটিন শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দেওয়ার পাশাপাশি সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণ মধু সেবনের মাধ্যমে ধূমপান ছাড়তে কোনও অসুবিধাই হয় না।

আদা

ধূমপানের নেশা ছাড়াতে চাইলে আদার ব্যবহার করা যেতে পারে। আদা চা বা কাঁচা আদা নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে ধূমপানের ইচ্ছে কমে যায়। ধূমপানের ইচ্ছে হলেই যদি এক টুকরো কাঁচা আদা মুখে দেওয়া যায় তাহলে ধূমপানের ইচ্ছা প্রশমিত হবে অনেকটাই।

মূলা

১ গ্লাস মূলার রসের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে দিনে দুই বার করে নিয়মিত খেলে ধূমপানের ইচ্ছা একেবারে কমে যায়। শুধু ধূমপানের অভ্যাসই নয়, যে কোনও ধরনের নেশামুক্তির ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা মূলার উপরই ভরসা রাখেন।

মরিচ গুঁড়ো

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নানাভাবে যদি নিয়মিত মরিচ গুঁড়ো খাওয়া যায়, তাহলে ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ধূমপান করার ইচ্ছাও কমতে থাকে। এক গ্লাস জলে অল্প পরিমাণ (এক চিমটে) লঙ্কার গুঁড়ো ফেলে সেই জলটি পান করা যায়, সেক্ষেত্রে দারুন উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আঙুরের রস

ধূমপানের ফলে শরীরের ভিতরে নিকোটিনের মাধ্যমে জমতে থাকা টক্সিন বেরিয়ে গেলেই ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, ধূমপানের ইচ্ছাও কমতে শুরু করে। আর আঙুরের রস ফুসফুসকে টক্সিন-মুক্ত করতে সাহায্য করে।

এই পদ্ধতিগুলি জানার পরও মাথায় রাখতে হবে একটি জিনিস। মনের জোরে ধৈর্য ধরে এই পদ্ধতিগুলির যে কোনও একটা মেনে চলতে পারলেই সুফল মিলবেই।