অর্থকথা ডেস্ক: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ইসরায়েল। মিত্রদের সঙ্গে কথা বলে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন নির্বাচনে জয়ের কোনও আশা না দেখেই মূলত প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছে ইহুদিবাদী দেশটি।

তেলআবিবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ”মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ করার পর তেল আবিব নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তবে সেখানে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট কোনও কারণ জানানো হয়নি। খবর রয়টার্সের।

জতিসংঘের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বিজয়ের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ হওয়ায় ইসরাইল নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য রাষ্ট্র ১৫টি। এর মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য। অস্থায়ী সদস্যদের দুই বছরের জন্য নির্বাচিত করা হয়। আগামী মাসে পাঁচটি নতুন অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত করা হবে। পশ্চিমা ব্লক থেকে জার্মানি, বেলজিয়াম ও ইসরায়েলের দুটি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিলো। তবে শেষ মুহূর্তে এসে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে ইসরায়েল।

সম্প্রতি গাজা সীমান্তে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। এ ঘটনায় আহত হয় কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে ইসরায়েলকে ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের চেষ্টা সফল হয়েছে বলে মনে করছে ফিলিস্তিন।

ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি বলেছেন, যে ইসরাইলের হাতে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বসে বিশ্বের শান্তি ও বিভিন্ন জাতির ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে না।

আন্তর্জাতিক সমর্থনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইসরাইলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়ে তারা যে প্রচারণা চালাচ্ছেন তাতে সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো।