এক সময় তার কাজ ছিল ভেড়া পালন করা। ছিলেন বৌদ্ধ ভিক্ষু, করেছেন পিটি টিচার, সেলসম্যান, পর্বতারোহীর প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও। স্কালজাঙ্গ দর্জি কিছুদিন কাজ করেছেন বেসরকারি একটি সংস্থাতেও। সেই তিনিই ৩১ বছর বয়সে ক্রিকেটার হিসেবে গড়েছেন ইতিহাস।

লাদাখের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সৈয়দ মুস্তাক আলি টুর্নামেন্টে জম্মু-কাশ্মীরের জার্সিতে খেলেছেন। এই বছরের রঞ্জি টুর্নামেন্ট স্থগিত না করে দেওয়া হতো তাহলে তিনিই লাদাখের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতেন।

লাদাখ আলাদা কেন্দ্র শাসিত এলাকা হওয়ার পর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ লাদাখ তৈরি হয়েছে। কিন্তু বিসিসিআইয়ের কাছে এটা স্বীকৃত নয়। তাই এই অঞ্চলের ক্রিকেটারদের খেলতে হয় জম্মু-কাশ্মিরের হয়ে।

দলটির অধিনায়ক পারভেজ রসূলও স্কালজাঙ্গের কৃতিত্বে দারুণ খুশি। তিনি জানিয়েছেন গত মৌসুমে নতুন প্রতিভা খুঁজতে তারা লাদাখে গিয়েছিলেন। সেখানেই স্কালজাঙ্গের খোঁজ পান তারা।

একসময় ভেড়া পালক থেকে ক্রিকেটার হওয়ার ঘটনায় সকলেই বিস্ময়ে আছেন। ১৯৯৯ সালে ১০ বছর বয়স থেকে তিনি ক্রিকেট খেলেন। তার কাকা বেঙ্গালুরুর মহাবোধি সোসাইটিতে থাকতেন। তিনি কাকার সঙ্গে সেখানে গিয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালের ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বিশ্বকাপের সময়ই খেলাটির প্রেমে পড়েন। ২০১১ সালে তিনি ক্রিকেট ছেড়ে নেন পর্বতারোহণের শিক্ষাও। তবে বেশিদিন ব্যাট-বল থেকে দূরে থাকতে পারেন নি। ফের ফিরেই দেখালেন চমক!

তার এই লড়াই একেবারে অন্যরকমের। তার এইভাবে রাজ্য দলে সুযোগ পাওয়া ক্রিকেট মহলে সকলের প্রশংসা পাচ্ছে।

বিজনেসজার্নাল/ঢাকা/এ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here