একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার গঠন করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যপাক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটের (বিআইসিএম) মাল্টিপারপাস হলে
বিআইসিএম রিসার্চ সেমিনার সিরিজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত গবেষক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

আজকের সেমিনারে “The effects of IPO financing and monetary policy on economic growth in Bangladesh: A dynamic assessment” শীর্ষক একটি গবেষণা প্রবন্ধ অনুষ্ঠিত হয়। প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ড. মাহমুদা আক্তার। প্রবন্ধের সহযোগী লেখক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া।

গবেষণায় দেখানো হয় – বাংলাদেশের ১৯৮১ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ডাটা বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, পুঁজিবাজারে আইপিও’র মাধ্যমে যে অর্থায়ন বিগত ৩৯ বছরে করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে তার প্রভাব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে খুব বেশি নেই।

আলোচনায় ড. ফরাসউদ্দিন বলেন, পুঁজিবাজারের গভর্নেন্সের অভাব, ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে অন্যায্য প্রতিযোগীতা এবং নানা সময়ে বাজারের ধ্বস। এসব কারনে পুঁজিবাজার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে খুব বেশি ভূমিকা রাখতে পারেনি।

বিএসইসি কমিশনার প্রফেসর ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন,বর্তমান কমিশন পুঁজিবাজারকে প্রকৃত শক্তিশালী করার জন্যে কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড রিভিশন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নতুন নতুন অর্থায়নের উপায় বের করতে ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এর মাঝেই এসএমই বোর্ড এর রুলস করা হয়েছে এবং এমনকি এনজিও দের অর্থায়নের ব্যাপারেও পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

সেমিনারে সকলেই আগামী দিনগুলোতে পুঁজিবাজারের আরও শক্তিশালী ভূমিকার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিআইসিএমের অনুষদ শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন।