বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে প্রথমবারের মত টেস্ট ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন সাবেক ক্রিকেটার ও ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ রাহুল। ক্যারিয়ারে টেস্ট খেলতে পারেননি। তাই এমন সুযোগ পেয়ে গর্বিত এই অলরাউন্ডার। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্ট ম্যাচ পরিচালনার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন রাহুল। রেফারিদের উন্নতির জন্য ভবিষ্যতে বিসিবিকে উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়ার অনুরোধ রাহুলের।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারটা দীর্ঘ হয়নি নিয়ামুর রশিদ রাহুলের। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারানো সেই ম্যাচের সদস্য ছিলেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে মাত্র দুইটি ম্যাচ খেলেছেন রাহুল। এরপর আর কখনোই ঠাঁই হয়নি জাতীয় দলে। এ নিয়ে একটা আক্ষেপ সবসময়ই ছিল রাহুলের।

২০১৮ সালে কক্সবাজারে পাকিস্তান নারী দলের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজে আইসিসির ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও আইসিসির ডিভিশন টু’তে নেপাল, ওমান ও যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন গেল বছরই।

ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে প্রথম কোন টেস্ট খেলুরে দেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান রাহুল। এবার আরো একটি আক্ষেপ পূরণের অপেক্ষায় তিনি। ক্যারিয়ারে টেস্ট খেলতে পারেননি। এবার রেফারি হিসেবেই করতে চান স্বপ্ন পূরণ। নিয়েছেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে।

ম্যাচ রেফারি ও সাবেক ক্রিকেটার বাংলাদেশ নিয়ামুর রশিদ রাহুল বলেন, কখনোই টেস্ট খেলতে পারিনি ক্যারিয়ারে। একটা আক্ষেপ ছিল। সেটা ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পেয়ে পূরণ হচ্ছে। এটা সত্যিই খুব ভাল লাগছে। তবে, সাফল্য তখনোই বলবো, যখন আমি কাজটা সফলভাবে শেষ করতে পারবো। আরো অনেকদূর যেতে চাই। আইসিসিকে ধন্যবাদ আমাকে সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে সবসময়ই স্বচ্ছতা থাকা জরুরি মনে করেন রাহুল। এগিয়ে যেতে চান বহুদূর। এজন্য  উন্নত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। এগিয়ে আসার অনুরোধ বিসিবিবিকে।

নিয়ামুর রশিদ রাহুল বলেন, ভাল মানের রেফারি হতে চাইলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ভাল রেফারিদের সঙ্গে কাজ করা এবং তাদের সঙ্গে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। বিসিবির কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের যেন সে সুযোগ করে দেয় তারা। তাহলেই দেশের অন্যান্য সাবেক ক্রিকেটার যারা এ পেশায় আসতে চান তাদের জন্য অনেক ভাল হবে।

এখন পর্যন্ত মোট ৯টি ওয়ানডে ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন রাহুল।