পুঁজিবাজারে থেকে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের জন্য আবেদন সংগ্রহ করা বসুন্ধরা পেপার মিল লিমিটেডের আইপিও লটারি ৩০ মে অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটির আইপিওতে ৬০৮ কোটি টাকার বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭৫ কোটি উত্তোলনের অনুমোদন ছিল। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ার পেতে প্রতিটি লটের বিপরীতে ৯ দশমিক ১২ গুণ আবেদন করেছে বিনোয়োগকারীরা।

জানা যায়, আগামী ৩০ মে বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিউট, আইবি মিলনায়তনে, ৮/এ রমনায় অনুষ্ঠিত হবে।

কোম্পানিটির আইপিওতে সর্বমোট ৯.১৩ গুন আবেদন পড়লেও সাধারণ বিনিয়োগকারী কোটায় ১২.৩৩ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী কোটায় ৫.৫০ গুণ ও এনআরবি কোটায় ৩.৫৯ গুন আবেদন জমা পড়েছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বসুন্ধরা পেপার মিলের ইস্যু ম্যানেজার এএএ ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়দুর রহমান জানান, গত ৩০ এপ্রিল থেকে ৯ মে (বুধবার) পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। প্রবাসী কোটা বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৬৮৫ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় ৯ দশমিক ১২ গুণ বেশি। কোম্পানিটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন দেখা গেছে এই আবেদনের মাধ্যমে।

সূত্র জানা যায়, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বসুন্ধরা পেপার ২ কোটি ৬০ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৭টি শেয়ারের বিনিময়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৯৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫২ টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে ইলেট্রনিক বিডিংয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত কাট অব প্রাইস ৮০ টাকা, এ দামে এলিজিবল বিনিয়োগকারীদের (ইআই) কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে ১২৫ কোটি টাকা।

আর বাকি ৭২ টাকা দরে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৭৪ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫২ টাকা পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলন করতে গত ৩০ এপ্রিল আবেদন গ্রহণ শুরু করে। ১ কোটি ৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬টি শেয়ারের বিনিময়ে এই টাকা উত্তোলন করলো কোম্পানিটি।

আইপিওয়ের এই টাকা দিয়ে কোম্পানিটির কারখানার অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি কেনা, স্থাপনা ও ভূমি উন্নয়ন বাবদ ১৩৫ কোটি, ঋণ পরিশোধ বাবদ ৬০ কোটি এবং বাকি ৫ কোটি টাকা আইপিও বাবদ খরচ করবে।

২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৪৬ টাকা। সম্পদ মূল্যায়নসহ শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৩০ দশমিক ৪৯ টাকা।