বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকদেরকে ঋণের কিস্তি দিতে হবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে। এরফলে এই বছরে মন্দ ঋণ বাড়বে না এবং এজন্য প্রভিশনিং ব্যয়ও হ্রাস পাবে। এতে ব্যাংকগুলোর মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কিস্তি প্রদান না করার সুযোগ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এই সুযোগ বাড়িয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলোর ঋণ খেলাপি হওয়া কমে গেছে। একইসঙ্গে প্রভিশনিংজনিত ব্যয় কমে আসবে।

ব্যাংকগুলোর ব্যয়ের অন্যতম ক্ষেত্র গ্রাহকদের দেওয়া ঋণের বিপরীতে প্রভিশনিং গঠন। তাদের কাছ থেকে ঋণ আদায়ের ঝুকিঁ হ্রাসের জন্য প্রভিশনিং করা হয়। এতে করে ব্যাংকের মুনাফা কমে আসে। তবে এ বছর সে সুযোগ কম। কারন ঋণের কিস্তি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা না থাকায় মন্দ ঋণ কম হবে। যাতে করে প্রভিশনিং ব্যয় কমে আসবে। এরফলে মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ছায়েদুর রহমান বলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি না দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় এ বছর ঋণ খেলাপি কম হবে। যাতে করে ব্যাংকের প্রভিশনিং ব্যয়ও কম হবে। এতে করে ব্যাংকগুলোর মুনাফা ইতিবাচক হবে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হলে বাংলাদেশ ব্যাংক গত এপ্রিলে ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, জুন পর্যন্ত কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধ না করলেও ঋণের শ্রেণি মানে কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না। এরপর তার মেয়াদ বাড়িয়ে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়। গতকাল এই সুযোগের মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।