চলমান জাতীয় সংসদের বাজেট ও অষ্টম অধিবেশন উপলক্ষে ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে সংসদের আইন শাখা-১। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই অধিবেশনের কার্যদিবস হবে ১২টি। ১০ জুন সংসদের অধিবেশন শুরু হয়ে ৮ অথবা ৯ জুলাই পর্যন্ত চলতে পারে।

ক্যালেন্ডার অনুযায়ী অধিবেশন শুরু ও বাজেট পেসের দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় সংসদের বৈঠক বসবে। চলবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।

১০ জুন (বুধবার) বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এরপর অধ্যাদেশ উত্থাপন হবে। তারপর আনা হবে শোকপ্রস্তাব। রাজধানীর ডেমরা-দনিয়া-মাতুয়াইল আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান মোল্লা মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা এবং তা গ্রহণের পর সংসদের বৈঠক মুলতবি করা হবে।

পরের দিন অর্থাৎ ১১ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হবে। এরপর উত্থাপন হবে বাজেট ও অর্থ বিল।

parlament-6

১২ ও ১৩ জুন (শুক্র ও শনিবার) সংসদের বৈঠক মুলতবি রাখা হবে।

১৪ জুন (রোববার) সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা হবে। এদিন থেকে প্রতিটি কার্যদিবস সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চলবে।

১৫ জুন (সোমবার) সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা, নির্দিষ্টকরণ সম্পূরক বিল পাস হবে।

১৬ জুন (মঙ্গলবার) ও ১৭ জুন (বুধবার) মূল বাজেটের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

১৮ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে ২১ জুন (রোববার) অধিবেশন মুলতবি থাকবে।

২২ জুন (সোমবার), ২৩ জুন (মঙ্গলবার) ও ২৪ জুন (বুধবার) বাজেটের ওপর আলোচনা হবে।

২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৮ জুন (রোববার) অধিবেশন মুলতবি থাকবে।

২৯ জুন (সোমবার) বাজেটের ওপর সমাপনী আলোচনা এবং অর্থবিল পাস হবে।

৩০ জুন (মঙ্গলবার) মূল বাজেট ও নির্দিষ্টকরণ বিল পাস হবে।

৮ জুলাই (বুধবার) অথবা ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) অধিবেশন সমাপ্তি।

parlament-9

এদিকে, বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে সংসদে দায়িত্বরত প্রায় ৩০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরীক্ষার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু ওই অধিবেশনে যোগ দিতে পারেন এমন সংসদ সদস্যদের (এমপি) পরীক্ষার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

বাজেট অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। তাদের সংস্পর্শে আসতে পারেন এমন কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও অধিবেশন কক্ষে দায়িত্ব পালন করবেন এমন কর্মকর্তা, ক্যামেরাপারসন, সংসদের কমিশন ও কার্য-উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অংশ নেবেন এমন ব্যক্তি এবং তাদের সংস্পর্শে থাকবেন এমন স্ব স্ব শাখা-অধিশাখার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর তালিকা করে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হচ্ছে।

বাজেট অধিবেশনের মাধ্যমে যাতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগ সংসদের কাছে ১২টি প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১৩ দফা সুপারিশ দেয়া হয়েছে। সেই প্রস্তাব অনুযায়ী করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হচ্ছে।