বিনোদন ডেস্ক: পরিবার ও কাছের কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে হয়েছিল কলকাতার পরিচালক-নায়িকা রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির বাগদান। বিয়ে-বৌভাত হয়েছে ধুমধাম করে। এবার অষ্টমঙ্গলা। আর তাতেও আয়োজন রাজকীয়।

এবেলা জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শুভশ্রীর বাপের বাড়ি বর্ধমান শহরের বাজে প্রতাপপুরে পৌঁছেন নব দম্পতি। বাড়িতে ঢোকার আগে পারিবারিক কালী মন্দিরে প্রণাম। অভ্যর্থনা জানানোর জন্য বাড়ির কাছে রাস্তার ধারে ওড়িশার বিশেষ ধরনের পোশাকে দাড়িয়ে ছিল ১৫ জন মেয়ে। বাড়িতে বর-বউকে বরণ করেন মা বীনা গঙ্গোপাধ্যায়।

রাতে ওই বাড়িতেই ছিলেন রাজ-শুভশ্রী। রাজের জন্য বীনা নিজের হাতে পোলাও আর মাংস রান্না করেন। আর শুভশ্রীর জন্য ছিল লুচি ও নারকেল দিয়ে আলুর তরকারি।

দিন দশেক আগে থেকেই গোটা বাড়ি সাজানো হয়েছে আলোর মালায়। শুক্রবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে অষ্টমঙ্গলার রীতি পালন। সন্ধ্যায় শুভশ্রী আর রাজ চলে যাবেন বর্ধমান শহরের একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে। সেখানেই অষ্টমঙ্গলার রিসেপশন।

জানা গিয়েছে, কলকাতা থেকে আসছেন মেকাপ-ম্যান। শুভশ্রীর এদিনের পোশাকের ডিজাইনার সব্যসাচী। অনুষ্ঠানে বাজবে শুধুই ইনস্ট্রুমেন্টাল মিউজিক। নিরাপত্তার জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। কলকাতা থেকে প্রশিক্ষিত নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ তো থাকবেই।

জানা যাচ্ছে, মোটামুটি ২৭ রকমের পদ থাকছে খাবারের মেনুতে৷ চিকেন-মটনের আইটেমই পাঁচ-ছ’রকমের৷ এছাড়াও পাবদা, গলদার আইটেম৷ ভেটকির ফিস ফ্রাই উইথ চিজ৷ মকটেলের স্টল৷ মিষ্টি, ফুচকা, পান, ঠাণ্ডা পানীয়ের স্টল। এছাড়াও শুভশ্রীর বাবার বিশেষ পছন্দের মালপোয়ার উপরে রাবরি ছড়ানো মিষ্টি।

আতশবাজি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। নদিয়া থেকে এসেছেন বাজি শিল্পীরা। রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো হবে।

রিসেপশনে উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রী থেকে প্রশাসনিক কর্তা ব্যাক্তিরা। এছাড়াও, থাকবেন নিজের স্কুল মিউনিসিপ্যাল গার্লস স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। আত্মীয় স্বজন। রাজের বন্ধুরা ছাড়াও টলিউডের অনেকই আসতে পারেন।

রাতে রাজ ও শুভশ্রী ওই রিসোর্টেই থাকবেন। সকালে দুর্গাপুরের ভিড়িঙ্গি কালী মন্দিরে যাবেন পুজা দিতে। ছোটবেলা থেকেই প্রতি বছর জন্মদিনে ওই মন্দিরে পুজা দিতে যান শুভশ্রী। ওখান থেকেই কলকাতায় নিজেদের সংসারের উদ্দেশে রওনা দেবেন রাজ ও শুভশ্রী।