গত বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভিন্ন ভিন্ন খাতের ৭৭ কোম্পানির বোর্ড সভা ছিলো। সবগুলো কোম্পানিই দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

নিম্নে ৪৫ কোম্পানিগুলোর প্রান্তিক প্রতিবেদন তুলে ধরা হলো:

ডোমিনেজ স্টিল:

দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৯ পয়সা। গত বছরের একই সময় ইপিএস ছিল ৩৬ পয়সা।

এদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ছয় মাসে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) ডোমিনেজ স্টিলের শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ৭২ পয়সা ছিল। আথাৎ ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ১ টাকা ৯৩ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৬.৬১ পয়সা।

স্কয়ার ফার্মা

চলতি হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৭৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭ টাকা ৭৭ পয়সা।

অন্যদিকে শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ইপিএস ৪ হয়েছে ১৮ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৭০ পয়সা।

এসিআই ফর্মুলেশন

চলতি হিসাববছরের দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ২ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ টাকা ১৭ পয়সা।

অন্যদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ২ পয়সা।

বিডি থাই

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ৪ পয়সা ছিল।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১০ পয়সা।

আরামিট সিমেন্ট

চলতি হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ২৩ পয়সা লোকসান হয়েছে। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছিল ২ টাকা ৬৯ পয়সা।

সামিট পাওয়ার

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (Consolidated EPS) হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ১ টাকা ৪৪ পয়সা ছিল।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৮১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ৮৪ পয়সা।

অগ্নি সিস্টেমস

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ২৭ পয়সা ছিল।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৪৪ পয়সা।

বিএসআরএম

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (Consolidated EPS)) হয়েছে ৩ টাকা ৫২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ৫১ পয়সা ছিল।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ৯৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৫৩ পয়সা।

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩২ পয়সা।

অ্যাপেক্স ট্যানারি

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩২ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৩৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৬৭ পয়সা।

ওয়াটা কেমিক্যাল

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ৩ টাকা ৩১ পয়সা ছিল।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৬ টাকা ৬০ পয়সা।

মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক

আলোচ্য সময়ে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ২ টাকা ১৯ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৯৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৩ টাকা ৯৯৩ পয়সা।

মেঘনা পিইটি

আলোচ্য সময়ে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.০৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ০.০৮৯ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ১৪ পয়সা।

মালেক স্পিনিং

আলোচ্য সময়ে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কনসুলেটেড আয় হয়েছে ৬২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ৪০ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০) কোম্পানির শেয়ার প্রতি কনসুলেটেড আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ০২ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৬৪ পয়সা।

সাইফ পাওয়ারটেক

আলোচ্য সময়ে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কনসুলটেড আয় হয়েছে ২৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ৩৫ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০) কোম্পানির শেয়ার প্রতি কনসুলটেড আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৯০ পয়সা।

বসুন্ধরা পেপার মিলস

আলোচ্য সময়ে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ২০ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৩ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৮৮ পয়সা।

এডিএন টেলিকম

আলোচ্য সময়ে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ৪৫ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৮৯ পয়সা।

বিডিকম অনলাইন

আলোচ্য সময়ে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ১৪ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৩ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৩৮ পয়সা।

সিলভা ফার্মা

আলোচ্য সময়ে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ২৬ পয়সা।

ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৫৫ পয়সা।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল

চলতি হিসাববছরের দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ২ টাকা ৪৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৪৯ (রিস্টেটেড) পয়সা।

অন্যদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৩২ (রিস্টেটেড) পয়সা।

স্কয়ার টেক্সটাইল

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৩ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ইপিএস হয়েছে ৭৯ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮৪ পয়সা।

এসিআই

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৬ টাকা ৩৫ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ১৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছিল ১১ টাকা ৯ পয়সা।

বেক্সিমকো সিনথেটিকস

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৭২ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান হয়েছিল ১ টাকা ৪০ পয়সা।

শাইনপুকুর সিরামিকস

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৪ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৬ পয়সা।

আরামিট লিমিটেড

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৩৭ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ৭ পয়সা।

পদ্মা অয়েল

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ৪ টাকা ৮০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৫ টাকা ৮৬ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ টাকা ২০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১৩ টাকা ৩৫ পয়সা।

বিবিএস ক্যাবল

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ১ টাকা ৬২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ২ টাকা ১৬ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৪ টাকা ৪৩ পয়সা।

এনার্জিপ্যাক পাওয়ার

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৮৫ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ৭৩ পয়সা

শাশা ডেনিমস

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ৩৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬৭ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ২ পয়সা।

নাহী অ্যালুমিনিয়াম

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ৫৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭৯ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৫৯ পয়সা।

বিবিএস

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৭ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ইপিএস হয়েছে ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯৪ পয়সা।

শাহজীবাজার পাওয়ার

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ১ টাকা ৬৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ১৮ পয়সা।

আনোয়ার গ্যানভানাইজিং

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫৪ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮৬ পয়সা।

জিপিএইচ ইস্পাত

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪০ পয়সা।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৮২ পয়সা।

পেনিনসুলা চিটাগং

দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩০ পয়সা।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’২০-সেপ্টেম্বর’২০) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ২৭ পয়সা। এ হিসেবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপি্‌এস) হয়েছে ১৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৩ পয়সা।

স্যালভো কেমিক্যাল

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়েও ইপিএস ১০ পয়সা ছিল।

অন্যদিকে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই’২০-ডিসেম্বর’২০) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে টাকা ৩০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৪ পয়সা।