টালিউডের মোস্ট গ্ল্যামারাস অভিনেত্রীদের মধ্যে অনেকেরই নাম আসে ঠিকই। তবে তাদেরই মধ্যে রাইমা সেনের গ্ল্যামার যেন একটু আলাদা। এই যেমন সাধারণ একটা সাদা-কালো ছবিতেই রঙ ভরিয়ে দিয়েছেন ভক্তদের মনে। সম্প্রতি আপলোড করা ছবিটিতে রাইমার হটনেসে ঘায়েল হয়েছে সাইবারবাসী। অফ শোল্ডার টপ পরে ছবি তুলেছেন তিনি। সম্ভবত একটি ফটোশুটের ছবি বলেই মনে হচ্ছে। রাইমার সৌন্দর্যকে তার নানী সূচিত্রা সেনের সৌন্দর্য্যের সঙ্গেও খানিক তুলনা করা হয়েছে কমেন্ট সেকশনে।

কলকাতা২৪ পত্রিকার খবরে বলা হয়, রাইমার আপকামিং ছবি ‘রিউনিয়ন’ এর টিজারে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শকমহল। অভিনয়ে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, রাইমা সেন, ইন্দ্রাশিস রায় ও সায়নী ঘোষ সহ আরও অনেকে। যাদের নিয়ে কলকাতার অলিগলি জুড়ে শুটিং চলেছে ছবির। কাহিনীর পাতা অনুযায়ী, গ্রুপটা ছিল তিনটি ছেলে আর একটি মেয়ের। তার মধ্যে দু’জন ছিল সিনিয়র। কিন্তু সম্পর্কে এসব বড় ছোট, ভাই-বোনের কোনও ব্যাপার ছিল না।

কলেজের গন্ডি পার হতেই হারিয়ে যায় পুরনো দিনগুলো। একই শহরে থেকে রোজ তো দূরে থাক, আজকাল আর দেখাই হয়না তাদের। এরই মাঝে কেটে গিয়েছে ২০ টা বছর। কিন্তু আজও মন খারাপের মেঘলা দিনে, ম্যাজিকের মতো মুখে হাসি ফুটিয়ে দিয়ে যায় কলেজের সেই দিনগুলো। ওদের মধ্যে মিলও তো ছিল অদ্ভূত রকমের। একই ধরণের ভাবনা চিন্তা। একই মতামত। একই ভাললাগা। কংক্রিটের শহরে রোজকার ব্যস্ততায় হাঁপ ছেড়ে বাঁচতে তারা প্ল্যান করে রিইউনিয়নের।

কিন্তু রিইউনিয়নের দিনটিতেও বাজল মন খারাপের সুর। পুরনো দিন গুলোর কথায় ভাসতে ভাসতে, মনে পড়ে যায় তাদের এক সিনিয়র রুদ্র চট্টোপাধ্যায়ের কথা। যার বহুদিন হল কোনও খোঁজ নেই। কিন্তু একদিন তাদের ভাবনাচিন্তায়, মতামতে, দৃষ্টিভঙ্গিতে অনেকটাই প্রভাব ফেলেছিল রুদ্র। কেবল সিনিয়র নয়! ওদের চারজনের জীবনে শিক্ষকের মতো ছিল সে। অনেক খোঁজ করেছিল ওরা, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। অতীতের বেড়াজাল টপকে তারা ঠিক করে দার্জিলিং ঘুরতে যাবে।

দার্জিলিংয়ের কাছে একটি গ্রামে ঘুরতে যায় তারা। এখানে এসে তারা খুঁজে পায় রুদ্রকে। আর অবাক হয়ে যায় দেখে কীভাবে গ্রামের মানুষের জন্য কাজ করে চলেছে সে। শহরের সুবিধা, আড়ম্বর ছেড়ে পাহাড়েই বসবাস শুরু করেছেন তাও আবার নিজের স্বার্থের জন্য নয়, গ্রামের মানুষদের স্বার্থে। কিন্তু কেন সে ছেড়ে এল শহর? কেনই বা এই চারজন তাকে খুঁজে ফেরে? নিখাদ বন্ধুত্বের মাঝে রয়েছে নানান ট্যুইস্ট।

অর্থকথা/