চলমান লকডাউনে স্থবির হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি। বিভিন্নভাবে লোকসান গুণছে জায়ান্ট সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। পরিস্থিতি খুব সহজেই স্বাভাবিক হবে না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোর্ড বছরের প্রথম প্রান্তিকে ২শ’ কোটি ডলার লোকসান হয়েছে। বিক্রি কমেছে ১৫ শতাংশ। করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিষ্ঠানটির ৫শ’ কোটি ডলার লোকসানের আশঙ্কা আছে।

ওয়ারেন বাফেটের প্রতিষ্ঠান বার্কশায়ারের লোকসান হতে পারে ৫ হাজার কোটি ডলার।

কফি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান স্টারবাক্সের বিক্রি কমেছে ১০ শতাংশ, লকডাউনের কারণে চীনে বিক্রি কমেছে ৫০ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান আর যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠানটির অর্ধেকের বেশি স্টোর বন্ধ সাময়িক বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এখন ধীরে ধীরে চীনে অবস্থিত স্টোরগুলো খুলতে শুরু করেছে।

গুগলের প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটও আছে লোকসানে। তবে লাভজনক অবস্থানে আছে ইউটিউব, অ্যামাজান আর নেটফ্লিক্স। বেড়েছে শিক্ষা সংক্রান্ত অ্যাপস ডাউনলোডের হার। ক্যাডবেরি চকোলেট আর ওরিও বিস্কিট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মন্দেলেজের বিক্রি কিছুটা বেড়েছে। কারণ লকডাউনে ঘরবন্দী মানুষের মাঝে স্ন্যাক্স কেনার প্রবণতা বেড়েছে।

বেকারসংখ্যা গেছে আড়াই কোটির ওপরে। বেকারভাতার জন্য এখনো আবেদনই করতে পারেননি ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ। দেশটির পর্যটন সংশ্লিষ্ট অন্তত ৬০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারাবে। পর্যটন খাতের লোকসান হবে ৯১ হাজার কোটি ডলার।

বিজে/জেডআই