মোবাইলফোন সিমের তথ্য সংরক্ষণ ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার বিটিআরসি’র ‘সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম’ সেবাটি আইটিইউ এর ডব্লিএসআইএস পুরস্কারের জন্যে মনোনীত হয়েছে।

সেবাটি সফলভাবে সম্পন্ন করার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) পুরস্কারটি পেল। ২০১৭ সালের ১৫ জুন সেবাটি চালু ‍করে বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি ডিরেক্টর (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন শাখা) মো. জাকির হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম নামের এ তথ্যভাণ্ডারে আঙুলের ছাপ বা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সব সিমের তথ্য জমা থাকে। বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে এ সেবা চালু করা হয়।

আইটিইউ হলো আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন। টেলিকমিউনিকেশন খাতে যেসব প্রতিষ্ঠান ভালোমানের সেবা দিয়ে থাকে তাদের একটি তালিকা করে সেবার মান বিবেচনায় সংগঠনটি পুরস্কারের জন্যে মনোনীত করে। আর তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি (ডব্লিউএসআইএস)।

সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম এর সেবা চালুর পর থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে কেউ সিম কিনতে চাইলে আগেই জানা যাবে ওই ব্যক্তির নামে এর আগে কতটি সিম নিবন্ধিত রয়েছে। যাচাই বাছাইয়ে যদি দেখা যায়, একটি জাতীয়পত্রের বিপরীতে ২০টি প্রিপেইড ও ৫টির বেশি পোস্টপেইড সিম আছে, তাহলে নতুন করে কোনো সিম তিনি কিনতে পারবেন না।

পদ্ধতিটির সুবিধার বিষয়ে বিটিআরসি জানায়, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সব অপারেটর মিলিয়ে একজন গ্রাহকের কয়টি সিম রয়েছে, তা সহজে বের করার পাশাপাশি মোবাইলফোন সংযোগের প্রকৃত সংখ্যা এর মাধ্যমে সহজে জানা যাবে। কোনো নিবন্ধিত সিমের তথ্য নিয়ে সন্দেহ হলে বিটিআরসি তা যাচাই করে নিতে পারবে।

 

আরও পড়ুন: