১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

অবরোধ এড়াতে মেট্রোতেও উপচেপড়া ভিড়

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:১৭:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪
  • / ১০২১০ বার দেখা হয়েছে

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেল থেকে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ (বাংলা ব্লকেড) কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এ অবস্থায় সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে রাজধানীবাসীর মাঝে দেখা দিয়েছে উৎকণ্ঠা। তাই বাংলা ব্লকেডের আগেই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে তাড়াহুড়ো করতে দেখা যাচ্ছে নগরবাসীকে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

রাজধানীর সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়ায় বিভিন্ন পয়েন্টে যানজটও সৃষ্টি হচ্ছে। জট ও অবরোধ এড়াতে অনেকে মেট্রোরেলে ছুটছেন। বিকেল ৩টার দিকে মেট্রোর ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি যাত্রী লক্ষ করা গেছে। টিকিট কাউন্টার, প্রবেশপথ ও মেট্রোরেলে ওঠার সময় যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ঠেলাঠেলি করেও উঠতে পারছেন না যাত্রীরা।

কথা হয় উত্তরাগামী যাত্রী আলতাফের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘দুটি ট্রেন মিস করেছি। পরের ট্রেনে কোনোমতে উঠে উত্তরা যাচ্ছি। ট্রেনের ভেতরে গায়ে গায়ে লাগা যাত্রীরা। ভীষণ চাপ। কী যে অবস্থা! বাংলা ব্লকেডের কারণে আগে আগে অফিস থেকে বের হয়ে বাসায় যাচ্ছি।’

কথা হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইকবাল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি প্রায়ই মেট্রোরেল চড়ি। কিন্তু আজকে বুঝতে পারছি, ভিড় কাকে বলে। সবাই মনে হয়, আন্দোলনে সড়ক অবরোধের ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই যাচ্ছেন বাসায়।’

আরও পড়ুন: বৃষ্টি উপেক্ষা করেই জড়ো হচ্ছেন কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা

এদিকে, ব্লকেড কর্মসূচিতে অংশ নিতে কোটা আন্দোলনকারীরাও ব্যবহার করছেন মেট্রো। মাথায় জাতীয় পতাকা বাঁধা এক শিক্ষার্থী জানান, ‘কোটা আন্দোলনে যোগ দিতেই আগারগাঁও থেকে শাহবাগ যাচ্ছি।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বুধবার (১০ জুলাই) সকাল-সন্ধ্যা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে শিক্ষার্থীদের ব্লকেডে কার্যত অচল হয়ে পড়ে পুরো রাজধানী। দিনভর এই অবরোধে ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষ। যানবাহনের অভাবে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে দুর্ভোগের শিকার হন তারা।

আন্দোলনকারীরা জানান, নির্বাহী বিভাগের সর্বোচ্চ পদ থেকে প্রতিশ্রুতি পেলে শিক্ষার্থীরা রাজপথ ছাড়বেন। পাশাপাশি যৌক্তিক সংস্কার করে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা রাখারও দাবি জানান তারা।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

x

অবরোধ এড়াতে মেট্রোতেও উপচেপড়া ভিড়

আপডেট: ০৫:১৭:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেল থেকে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ (বাংলা ব্লকেড) কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এ অবস্থায় সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে রাজধানীবাসীর মাঝে দেখা দিয়েছে উৎকণ্ঠা। তাই বাংলা ব্লকেডের আগেই নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে তাড়াহুড়ো করতে দেখা যাচ্ছে নগরবাসীকে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

রাজধানীর সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়ায় বিভিন্ন পয়েন্টে যানজটও সৃষ্টি হচ্ছে। জট ও অবরোধ এড়াতে অনেকে মেট্রোরেলে ছুটছেন। বিকেল ৩টার দিকে মেট্রোর ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি যাত্রী লক্ষ করা গেছে। টিকিট কাউন্টার, প্রবেশপথ ও মেট্রোরেলে ওঠার সময় যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ঠেলাঠেলি করেও উঠতে পারছেন না যাত্রীরা।

কথা হয় উত্তরাগামী যাত্রী আলতাফের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘দুটি ট্রেন মিস করেছি। পরের ট্রেনে কোনোমতে উঠে উত্তরা যাচ্ছি। ট্রেনের ভেতরে গায়ে গায়ে লাগা যাত্রীরা। ভীষণ চাপ। কী যে অবস্থা! বাংলা ব্লকেডের কারণে আগে আগে অফিস থেকে বের হয়ে বাসায় যাচ্ছি।’

কথা হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইকবাল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি প্রায়ই মেট্রোরেল চড়ি। কিন্তু আজকে বুঝতে পারছি, ভিড় কাকে বলে। সবাই মনে হয়, আন্দোলনে সড়ক অবরোধের ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই যাচ্ছেন বাসায়।’

আরও পড়ুন: বৃষ্টি উপেক্ষা করেই জড়ো হচ্ছেন কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা

এদিকে, ব্লকেড কর্মসূচিতে অংশ নিতে কোটা আন্দোলনকারীরাও ব্যবহার করছেন মেট্রো। মাথায় জাতীয় পতাকা বাঁধা এক শিক্ষার্থী জানান, ‘কোটা আন্দোলনে যোগ দিতেই আগারগাঁও থেকে শাহবাগ যাচ্ছি।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বুধবার (১০ জুলাই) সকাল-সন্ধ্যা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে শিক্ষার্থীদের ব্লকেডে কার্যত অচল হয়ে পড়ে পুরো রাজধানী। দিনভর এই অবরোধে ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়ে বিভিন্ন প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষ। যানবাহনের অভাবে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে দুর্ভোগের শিকার হন তারা।

আন্দোলনকারীরা জানান, নির্বাহী বিভাগের সর্বোচ্চ পদ থেকে প্রতিশ্রুতি পেলে শিক্ষার্থীরা রাজপথ ছাড়বেন। পাশাপাশি যৌক্তিক সংস্কার করে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা রাখারও দাবি জানান তারা।

ঢাকা/এসএইচ