আলু রান্নার ক্ষেত্রে এর খোসা ফেলে দেন প্রায় সবাই। আবার যদি খোসাসহ রান্না করাও হয়, খাওয়ার সময় সেই খোসা ফেলে তারপর খাওয়া হয়। আপনি অবহেলায় আলুর যে খোসা ফেলে দেন তাতে থাকে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ফোলেট, ভিটামিন সি ও ফসফরাস। সবরকম সবজির ভেতরে আলুর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। কারণ আলু প্রায় সবকিছুর সঙ্গেই খাওয়া যায়। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় কোনো না কোনোভাবে থাকে আলু। তাই পুষ্টিকর আলুর খোসা ফেলে না দিয়ে পাতেই রাখুন। আলুর খোসা ফেলে দেওয়ার আগে জেনে নিন এটি কতটা উপকারী।

শেয়ারববাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: বিজনেসজার্নালবিজনেসজার্নাল.বিডি

 

আলুর খোসার পুষ্টিগুণ

পটাশিয়ামের ভালো একটি উৎস হলো আলুর খোসা। নিয়মিত আলুর খোসা খেলে খেলে তা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। এতে আছে পর্যাপ্ত আয়রন যা লোহিত রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়ায়। আলুর খোসায় আরও আছে ভিটামিন বি ৩, যা খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। এতে থাকে পর্যাপ্ত ফাইবার। এই ফাইবার হৃদরোগ, ক্যান্সার ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস দূরে রাখে।

নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপ

আলুর খোসা হৃদযন্ত্রের কাজে সাহায্য করে। নিয়মিত আলুর খোসা খেলে তা পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের মাধ্যমে রক্তচাপ সঠিক রাখার কাজ করে। ফলে দূরে থাকা যায় আরও অনেক অসুখ থেকে। সুস্থতার জন্য তাই খোসা না ফেলেই আলু রান্না করুন।

হাড় ভালো রাখে

হাড়ের নানা সমস্যায় ভোগেন অনেকে। আলু যদি খোসাসহ খান তবে এই সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে। আলুর খোসায় আছে খনিজ যা হাড় শক্ত ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম যা হাড় সুস্থ রাখে। আলুর খোসা হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখে এবং মেনোপজের পরে নারীর অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত আলুর খোসা খান। এটি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে কার্যকরী। কারণ আলুর খোসা পটাশিয়ামে পূর্ণ থাকে। এতে থাকা ওমেগা- ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও শরীরের নানা উপকার করে।

ডায়াবেটিস দূরে রাখে

বর্তমানে ডায়াবেটিস এক নীরব ঘাতকের নাম। এই ঘাতক থেকে দূরে থাকতে খেতে পারেন খোসাসহ আলু। খোসাসহ আলু খেলে তা দীর্ঘ সময় আপনার পেট ভরিয়ে রাখবে। আলুর খোসায় ফাইবার ছাড়াও আছে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে দূরে থাকে ডায়াবেটিস।

বিজনেসজার্নাল/ঢাকা/এনইউ

আরও পড়ুন: