এমারেল্ড অয়েলে জাপানি বিনিয়োগের নেপথ্যে ‘মিয়া মামুন’!

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ১৯ বছর আগে কৃষি বিষয়ে পড়াশোনার জন্য জাপান যান চট্টগ্রামের মিয়া মামুন। পড়াশোনা শেষে সেখানেই থেকে যান। বিয়ে করেন এক জাপানি নাগরিককে। দেশটির নাগরিকত্বও পেয়ে যান তিনি। সেখানকার বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় কৃষিপণ্য সরবরাহের ব্যবসা শুরু করেন। গড়ে তোলেন মিনোরি কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান। পরে দেশেও কৃষি খামারের ব্যবসায় নাম লেখান তিনি।

দেশে করোনা হানা দেয়ার আগে ২০১৯ সালে মিনোরি বাংলাদেশ লিমিটেড নামে কোম্পানি গঠিত হয়। কোম্পানিটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে গত বছরের নভেম্বরে। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার খামারগ্রাম এলাকায় ভাড়া করা জায়গায় গড়ে তোলা হয় হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশুর খামার। স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শুরু থেকেই নানা চটকদার প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে নিজেকে সেরা ও বড় মাপের কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে উপস্থাপন করতে থাকেন মিয়া মামুন। আগ্রহ দেখান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল অধিগ্রহণে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পুঁজিবাজার থেকে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কিনে নেয়া শুরু করে মিনোরি বাংলাদেশ।

মিয়া মামুনের মিনোরি বাংলাদেশের এ শেয়ার কিনে নেয়ার ঘটনাই ফুলেফেঁপে প্রচার পায় জাপানি বিনিয়োগ হিসেবে। ডুবে যাওয়া প্রতিষ্ঠান এমারেল্ড অয়েলের পুনরুত্থানের সম্ভাবনা দেখতে পান বিনিয়োগকারীরা। দ্রুত বাড়তে থাকে মন্দ কোম্পানি হিসেবে পুঁজিবাজারে পাদপ্রদীপের আড়ালে থেকে যাওয়া প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম। গত ফেব্রুয়ারিতেও কোম্পানির শেয়ারদর ছিল অভিহিত মূল্যের নিচে। সেখান থেকে বেড়ে এখন তা বিক্রি হচ্ছে প্রায় চার গুণ বেশি দামে।

তবে মিনোরি বাংলাদেশের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমারেল্ড অয়েলকে টেনে তোলার সক্ষমতা মিনোরি বাংলাদেশের নেই। সেক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এবারো এমারেল্ডের শেয়ার থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বড় আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আগেও এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। বর্তমানে মিয়া মামুনের শেয়ার ক্রয়ের ঘটনা জাপানি বিনিয়োগ হিসেবে প্রচার পাওয়ায় কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে এক ধরনের অতি উচ্চাশা তৈরি হয়েছে বাজারে।

মিনোরি বাংলাদেশ এর আগে ২০১৯ সালেও এমারেল্ডের শেয়ার কিনে কোম্পানিটির দায়িত্ব নিতে চেয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। এমনকি এমারাল্ডের উদ্যোক্তা পরিচালকদের সঙ্গেও শেয়ার কেনার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন মিনোরি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মিয়া মামুন। তবে তা শেষ পর্যন্ত পরিণতি পায়নি। কিন্তু কিছু পরিমাণ শেয়ার ওই সময় বাজার থেকে সংগ্রহ করতে সক্ষম হন মিয়া মামুন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আবারো এ নিয়ে তৎপর হয়ে ওঠে মিনোরি বাংলাদেশ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ৮০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা মিনোরি কোম্পানি লিমিটেড তথা মিয়া মামুনের। বাকি ২০ শতাংশ শেয়ারের মালিক মো. আফজাল হোসেন। চলতি বছরের মার্চে মিনোরি বাংলাদেশের সাবেক পরিচালক আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে শেয়ার কিনে নেন তিনি। জানা গিয়েছে, মূল উদ্যোক্তা মিয়া মামুনের উচ্চাভিলাষের সঙ্গে সক্ষমতার মিল না থাকায় এ বছরের শুরুতেই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন আবুল কালাম আজাদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এমারেল্ড অয়েলের ব্যাংকঋণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিলসহ অন্যান্য বিল বাবদ বড় অংকের অর্থ বকেয়া রয়েছে। তাছাড়া কোম্পানিটির সাবেক পরিচালকরা বিভিন্নজনের কাছ থেকে ৩৫ কোটি টাকার মতো অগ্রিম অর্থও নিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে মৃতপ্রায় এমারাল্ড অয়েলকে লাভজনক করে তুলতে অন্তত দুই-আড়াইশ কোটি টাকা প্রয়োজন। এত বড় অংকের অর্থ ব্যয় করে মিয়া মামুনের পক্ষে এমারেল্ডকে চালু করে লাভজনক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে কি-না, এ বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন আবুল কালাম আজাদ। এ কারণেই তিনি মিনোরির শেয়ার আফজাল হোসেনের কাছে বিক্রি করে চলে যান।

সরেজমিনে দেখা গিয়েছে, সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার খামারগ্রাম এলাকায় মিনোরি বাংলাদেশ লিমিটেড খামারের জায়গার মালিক একই গ্রামের আব্দুস কুদ্দস। তিনি এখানে আগে থেকেই গরু, মুরগি পালনের শেড তৈরি করেছিলেন। এর সঙ্গে একটি পুকুরও রয়েছে। আব্দুস কুদ্দুস ব্যবসা বন্ধ করে দিলে ১০ লাখ টাকা জামানত দিয়ে তার কাছ থেকে প্রায় ২৫ বিঘা জায়গা ভাড়া নেন মিয়া মামুন। গত নভেম্বরে মিনোরি বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক যাত্রার ঘোষণা দেন তিনি। বর্তমানে খামারটিতে প্রায় তিন হাজার হাঁস, ১৩টি গরু (ছয়টি গাভী) ও চারটি ছাগল রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিনোরি বাংলাদেশ লিমিটেড ফার্মের ম্যানেজার ওয়ালিউল্লা বলেন, খামারটিতে এ পর্যন্ত ১ কোটি টাকার ওপরে বিনিয়োগ করা হয়েছে। খামারটি বড় করার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে অগ্রসর হওয়ার ইচ্ছা থাকলেও করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে মিয়া মামুন দেশে না থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

পুঁজিবাজারের মন্দ কোম্পানি হিসেবে এতদিন আলোচনার আড়ালেই ছিল এমারেল্ড অয়েল। কিন্তু মিনোরি বাংলাদেশ এমারেল্ডের শেয়ার কেনা শুরু করলে আবারো আলোচনায় চলে আসে কোম্পানিটি। বন্ধ থাকা জাপানি বিনিয়োগের খবরে চাঙ্গা হয়ে ওঠেন বিনিয়োগকারীরা। ক্রয়াদেশ ও দাম বাড়তে থাকে কোম্পানিটির শেয়ারের। চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এমারেল্ড অয়েলের শেয়ারদর ছিল ৯ টাকা ৫০ পয়সা। সেখান থেকে এর দর বেড়ে সর্বশেষ গত মঙ্গলবার তা দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৭০ পয়সায়। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৩ দশমিক ৮৬ গুণ।

এর মধ্যেই চলতি বছরের মার্চে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এমারেল্ড অয়েলের পর্ষদ পুনর্গঠন করে সেখানে পাঁচজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেয়। তারা হলেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক, বিআইবিএমের ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার ও সজীব হোসেন এবং ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার দেব। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান মোহাম্মদ শহিদুল হক।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, এমারেল্ড অয়েলের প্রায় ৯ শতাংশ শেয়ার কিনেছে মিনোরি বাংলাদেশ। ৯ থেকে ১১ টাকার মধ্যে তারা এই শেয়ার কিনেছে। মিনোরির পক্ষ থেকে এমারেল্ড অয়েলের দায়িত্ব নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হলে তাতে সম্মতি জানায় কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় এমারেল্ড অয়েলের পর্ষদে মিনোরি বাংলাদেশের মনোনীত পরিচালক হিসেবে যোগ দেন সিদরাতুল মাহবুব হাসান। সর্বশেষ গত জুলাইয়ে মিনোরি বাংলাদেশের পরিচালক মো. আফজাল হোসেন এমারেল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুরোদমে উৎপাদন শুরুর ঘোষণাও আসে এ সময়।

মিনোরি বাংলাদেশের পরিচালক ও এমারেল্ড অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আফজাল হোসেন বলেন, আমরা এমারেল্ড অয়েলকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোম্পানির মোট দায়দেনা নির্ধারণ করার পর সেগুলো আমাদের ওপর বর্তাবে। এর বিপরীতে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার আমাদের অনুকূলে বরাদ্দ হবে।

বিনিয়োগ সক্ষমতার বিষয়ে আফজাল হোসেন দাবি করেন, জাপানে মিনোরির বড় ব্যবসা রয়েছে। কোম্পানির প্রয়োজনে জাপান থেকে নিয়মিত অর্থ আসছে। এমারেল্ড অয়েলের উৎপাদন চালু করে স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি জাপানে মিনোরির কাছে রফতানি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বছরের সেপ্টেম্বরে উৎপাদন শুরুর তারিখ নির্ধারিত থাকলেও করোনাসহ বিভিন্ন জটিলতায় সেটি পিছিয়ে যেতে পারে।

আবুল কালাম আজাদের মিনোরি ছেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ব্যবসা করতে হলে ঝুঁকি নিতে হয়। তাছাড়া ব্যবসার প্রয়োজনে ব্যাংক থেকে ঋণও নিতে হয়। কিন্তু তিনি ব্যবসা করতে চাইলেও ব্যাংকঋণ নিতে অনাগ্রহী। এ কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি তার সব শেয়ার আমার কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন।’

মিনোরি বাংলাদেশ লিমিটেড অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এএইচসিএবি) সদস্য। মিনোরির বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি ড. এম নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো কোম্পানি আমাদের সদস্য বলে মনে পড়ছে না। তাছাড়া তিনি প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্যোক্তা মিয়া মামুনকেও চেনেন না বলে জানান।

এএইচসিএবির তথ্য বলছে, ২০২০ সালে মিনোরি বাংলাদেশ সংগঠনটির সদস্যভুক্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন কাঁচামাল জাপান থেকে আমদানির জন্য চেষ্টা করেছিল মিনোরি বাংলাদেশ। যদিও সেটি শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির ১৫ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ রয়েছে। এমারেল্ড অয়েলের বাইরে মিনোরি বাংলাদেশের আরো তিনটি প্রকল্প থাকলেও সেগুলো এখনো লাভজনক অবস্থানে যেতে পারেনি বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. আফজাল হোসেন।

সার্বিক দিক বিবেচনায় মিনোরির এমারেল্ড অয়েলকে টেনে তোলার সক্ষমতা নিয়ে বেশ সন্দিহান পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। তথ্য বলছে, এমারাল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২০১১ সালে স্পন্দন ব্র্যান্ডের রাইস ব্র্যান অয়েল (চালের কুঁড়ার তেল) উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে ব্যবসায় নেমেছিল। তিন বছরের মাথায় ২০১৪ সালে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় কোম্পানিটি। এর এক বছরের মধ্যেই বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির মামলায় জড়িয়ে পড়েন কোম্পানিটির উদ্যোক্তারা। জামিন নিয়ে কোম্পানিটির উদ্যোক্তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে ২০১৭ সাল থেকেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় কোম্পানিটির। এতে ক্ষতির মুখে পড়েন কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীরা।

এমারেল্ড গ্রুপের বিপত্তির শুরু বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির মামলার মধ্য দিয়ে। ২০১৫ সালে রাজধানীর মতিঝিল থানায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কশিমন (দুদক)। মামলায় এমারাল্ড গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ২০৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে এমারেল্ড অয়েলের বিরুদ্ধে মোট ৭৪ কোটি ১৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকার ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ করা হয়। মামলায় এমারেল্ড অয়েলের চেয়ারম্যান সৈয়দ মনোয়ারুল ইসলাম, এমডি হাসিবুল গনি গালিব, পরিচালক এএসএম মনিরুল ইসলাম, সজন কুমার বসাক, অমিতাভ ভৌমিকসহ বেসিক ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তাকেও আসামি করা হয়।

এমারেল্ডের উৎপাদন কার্যক্রম এখনো বন্ধ। ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের পর থেকে নিরীক্ষিত কিংবা অনিরীক্ষিত কোনো ধরনের আর্থিক প্রতিবেদনই প্রকাশ করছে না এমারেল্ড অয়েল। ২০১৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি মিলিয়ে এমারেল্ড অয়েলের ঋণের পরিমাণ ১২৫ কোটি টাকার বেশি।

২০১৪ সালে আইপিওর মাধ্যমে দুই কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে এমারেল্ড অয়েল। বর্তমানে কোম্পানিটির শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হচ্ছে। ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৫৯ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ৫০০। এর মধ্যে ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১২ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৪৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।
সূত্র: বনিকবার্তা