প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন কারসাজির আশ্রয় নিয়ে বাজারে প্যানিক সৃষ্টি করছে। নিজেরা বেশি দামে শেয়ার বিক্রি করে সেল প্রেসার তৈরি করে পরবর্তীতে দাম কমিয়ে আবার কিনে কারসাজি করছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা।

আজ ১২ অক্টোবর বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় ঐক্য পরিষদের নেতারা এসব কথা বলেন।

বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের কয়েকদিনের দরপতনে বিনিয়োগকারীরা উদ্বেগ প্রকাশ করছে। দরপতনে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়ী করছে বিনিয়োগকারীরা। তারা শেয়ারের দাম একটু বাড়লেই বিক্রি করে বসে থাকে দাম কমার অপেক্ষায়। বিভিন্ন কারসাজির আশ্রয় নিয়ে তারা বাজারে প্যানিক সৃষ্টি করে, ততক্ষণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা চরম ক্ষতির মধ্যে পড়ে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইসিবি, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন, ডিএসসি ব্রোকার এসোসিয়েশন, ডিএসই, সিএসই-এর নেতৃবৃন্দ সব-সময়ই দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগের উপদেশ দিয়ে থাকেন। অথচ তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোই বেশী বেশী কমিশন পাবার আশায় অল্প সময়ের মধ্যে শেয়ার সেল দিয়ে বাজার পতনে বড় ভূমিকা রাখছে। এ সকল কার্যকলাপ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে অনেক শেয়ার আবার ফ্লোরপ্রাইজের কাছাকাছি চলে এসেছে। আইসিবি সহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার ক্রয় না করে ক্রমাগত সেল করছে। এতে বাজারে ভুল ম্যাসেজ আসছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিএসইসি কে আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া করোনাকালীন সময়ের কথা চিন্তা করে আইপিও সাবস্ক্রিপশন আপাততঃ ৩ মাস বন্ধ রাখার জন্য বিএসইসি’র চেয়ারম্যানের কাছে দাবি জানানো হয়।

বিজনেসজার্নাল/এইচআর

পুঁজিবাজার ও অর্থনীতির সর্বশেষ সবাদ পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজ ‘বিজনেস জার্নাল

ও ফেসবুক গ্রুপ ‘ডিএসই-সিএসই আপডেট’ এর সাথে সংযুক্ত থাকুন।