নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভায় ১৪৪ ধারা জারি করায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। কোথাও যেন গণজমায়েত না ঘটে সেজন্য কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। 

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় কোম্পানীগঞ্জ শহর ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের গণজমায়েত দেখামাত্র ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছেন পুলিশ প্রশাসন। পৌরশহরের দোকানপাট বন্ধ। বাস টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার যান চলাচল স্বাভাবিকের থেকে অনেক কম। 

এদিকে কেউ যেন ১৪৪ ধারা ভাঙতে না পারে এবং নাশকতা ঠেকাতে পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও মোড়গুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের কর্তব্যরত কর্মকর্তা সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আজিম ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও মোড়সমূহে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক পুলিশ টহল দিচ্ছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সর্তক অবস্থানে রয়েছে।

মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত সহকারী মো. সিরাজুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকাল রাতে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে পৌরসভা এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ করে আতঙ্ক তৈরি করে। উনি পৌরসভা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অবস্থান করছেন।

অন্যদিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান বাদলের মুঠোফোন কল দেওয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ মাঠে আছে। কেউ যদি ১৪৪ ধারা ভাঙে তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

তিনি আরও বলেন, নিহত সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কিরের পরিবার থেকে এখনও কোনো মামলা করা হয়নি। যদি মামলা করা হয় তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের ডাকা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

 

আরও পড়ুন: