ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন আল আহলির মুখোমুখি হবে ইউরোপ সেরা ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। করোনা ভাইরাস আর ইনজুরিতে চার ফুটবলার আছেন দলের বাইরে। তারপরও কাতার থেকে জয় নিয়ে ফিরতে চায় হ্যান্সি ফ্লিক শিষ্যরা। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাত ১২টায়।

জার্মান জায়ান্টরা বরাবরই অপ্রতিরোধ্য। লিগটা নিজেদের করে রেখেছে লম্বা সময় ধরে। এই মৌসুমেও সবার উপরে অবস্থান বাভারিয়ানদের। হ্যান্সি ফ্লিকের নেতৃত্বে উড়ন্ত বায়ার্ন মিউনিখের এবার মিশন ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ।

সেমিফাইনালের মঞ্চে তাদের প্রতিপক্ষ আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন আল আহলি। ম্যাচটি খেলতে এরই মধ্যে গোটা দল এখন কাতারে। মাঠে নামার আগে অবশ্য খুব একটা স্বাস্তিতে নেই বাভারিয়ানরা। ইনজুরি সমস্যায় আক্রান্ত দল।

সাথে হার্থ বার্লিনের বিপক্ষে গেলো ম্যাচের পারফরম্যান্সের ভাবাচ্ছে কোচকে। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় দলে নেই লিওন গোরেটজকা আর জাভি হার্নান্দেজ। হ্যান্সি ফ্লিকের পছন্দে ৪-১-৪-১ ফরম্যাশনে সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে দলের প্রাণ ভোমরা রবার্ট লেওয়ানডস্কির উপর। প্রথমবার খেলছেন এই প্রতিযোগিতায়। তাছাড়া গেলো ম্যাচেই পেনাল্টি মিসের কষ্টে পুড়ছেন নিশ্চয়ই। তাই আহলির বিপক্ষে গোল করতে মুখিয়ে থাকবেন এই গোল মেশিন।

আগের ম্যাচে না থাকলেও, ফ্লিকের তিন অস্ত্র লেরয় সানে, কিংসলে কোম্যান, আর সার্জ গেনাব্রিকে এই ম্যাচে দেখা যাবে শুরু থেকে। তাছাড়া অভিজ্ঞ থমাস মুলারতো রয়েছেনই।

কঠিন চ্যালেঞ্জ উতরাতে প্রস্তুত বায়ার্ন কোচ হ্যান্সি ফ্লিক।

তিনি বলেন, আমরা জানি আহলি অনেক শক্ত দল। আফ্রিকায় তারা অপরাজিত। আর এই মঞ্চে কেউ কাউকে ছাড় দিবে না। আমরা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল জিতে এখানে এসেছি। ওরা আমাদের চমক দিতে চাইবে। দলের ফুটবলাররা বেশ ছন্দে রয়েছে। আশা করি জয়টা আমাদের হবে।

জার্মানরা লিগ ম্যাচের কারণে কাতারে আসতে দেড়ি করলে, বেশ আগে ভাগে এসেই প্রস্তুতি নিচ্ছে আল আহলি। এরই মধ্যে কাতারের দল আল দুহাইলের বিপক্ষে ম্যাচে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে দলটি। বেশ ছন্দেও রয়েছে দল তাই জয়ের প্রত্যাশা আহলিরও।

দলের কোচ পিটসো মোসিমানে বলেন, আমরা এখানে একটা দল হিসেবে এসেছি। তিনটি শিরোপা রয়েছে আমাদের এখন। এই টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচও আমরা জিতেছি। সুতরাং আমাদের ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। প্রতিপক্ষের উপর আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে। তবে মাঠে প্রমাণ হবে দিনটা কার হয়।

ক্লাব বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো মাঠে বসে উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা। ধারণ ক্ষমতার ৩০ শতাংশ দর্শক উপস্থিতির অনুমোদন দিয়েছে ফিফা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here