বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: সংগীতপ্রিয় মানুষের কাছে পরিচিত নাম কায়েস চৌধুরী। এ পর্যন্ত ১৩টি মৌলিক গান উপহার দিয়েছেন তিনি। এই গানগুলোর সবগুলোই তিনি প্রকাশ করেছেন নিজের ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। ভিন্ন রকম কথা-সুর আর দারুণ গায়কীর জন্য তার গানগুলো শ্রোতাদের কাছে সমাদৃতও হয়েছে।

পেশায় কায়েস চৌধুরী একজন ব্যাংকার। তবে মনের খোরাক মেটানোর জন্য শিল্প সংস্কৃতির নানান শাখায় বিচরণ করেন। গানের পাশাপাশি আবৃত্তিতেও দক্ষ। শ্বশুর বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের লেখা তিনটি কবিতা আবৃত্তি ও গানের সম্মিলনে তিনি প্রকাশ করেছিলেন ‘শ্রদ্ধাঞ্জলি’ নামের প্রজেক্ট। প্রাবন্ধিক এবং সমাজকর্মী হিসেবেও কাজ করে থাকেন।

কায়েস চৌধুরী জানান, ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক তার। ছাত্রাবস্থায় স্কুল ম্যাগাজিন, দেয়ালিকা ও বিভিন্ন দৈনিকে লিখতেন। সেই সময়ে বাবার ইচ্ছায় তার বন্ধু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আলমা ম্যাটার চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে (সাবেক এম. ই. স্কুল) ভর্তি হন। কেন না তার বাবা সবসময়ই চেয়েছিলেন সন্তান বন্ধুর মতো অর্থনীতির শিক্ষক হবে। কিন্তু তার ভেতরে বাস করত ভিন্ন এক মানুষ।  

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব 

প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব থেকে শুরু করে ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট-সবখানেই ছিল কায়েসের পদচারণা। এইচএসসি পরীক্ষার ঠিক আগে বাবার মৃত্যুতে হাল ধরতে হয়েছিল পরিবার তথা মা এবং ছোট বোনের। পড়েছিলেন নিদারুণ অর্থকষ্টে। এর মাঝে স্নাতক শেষ করে যোগ দেন ব্যাংকে। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। অধিকতর উচ্চশিক্ষা ও বিভিন্ন ব্যাংকে সফলতার সঙ্গে অভিজ্ঞতা নিয়ে বর্তমানে দেশের অন্যতম সেরা একটি ব্যাংকে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং কর্পোরেট ব্যাংকিংয়ের আঞ্চলিক প্রধান, চট্টগ্রাম হিসেবে কর্মরত আছেন।

কায়েস চৌধুরী বিশ্বাস করেন, কঠোর পরিশ্রম, সততা এবং ওপরওয়ালার দোয়ায় যে কোনো সাফল্য অর্জন করা যায়। তার মতে, সফল হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজকে উপভোগ করা। কাজে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা রাখা। কাজের পাশাপাশি শিল্প-সংস্কৃতিতেও নিজেকে আরও বহুদূর নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন তার। সঙ্গে আরও যোগ করেন, সুর তার এতই প্রিয় যে গানেই প্রাণ খুঁজে পান তিনি।

ঢাকা/এনইউ

আরও পড়ুন: