জেনে নিন ডিএসই নির্ধারিত কোন কোম্পানির চূড়ান্ত ফ্লোর প্রাইস কতো!

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারের চলমান পতন ঠেকাতে ফের ফ্লোর প্রাইস বা কোন শেয়ারের দর পতনের সর্বনিম্ন সীমা বেঁধে দিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। যা রোববার থেকে কার্যকর হয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

জানা যায়, রোববার লেনদেন শুরুর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ি ডিএসইসি তালিকাভুক্ত সব সিকিউরিটিজের ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেয়। তবে বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করা হয়নি।

তাদের মতে, কিন্তু ডিএসই এভারেজ প্রাইসের নিচের শ্লটে বা নিচের টিকে ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছে করলে উপরের শ্লটে বা উপরের টিকেও ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করতে পারতো।

বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবারসহ বিগত ৫ দিনের ক্লোজিং প্রাইসের গড় দর (এভারেজ প্রাইস) হবে সিকিউরিটিজের ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন দর। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন দরের নিচে কোনো সিকিউরেজের দর নামতে পারবে না।

বিএসইসির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডিএসইর সফটওয়্যারের নিয়ম অনুযায়ী হয়তো ১০ পয়সা বাড়বে অথবা ১০ পয়সা কমবে। কিন্তু এর মাঝামাঝি যে সকল কোম্পানির শেয়ার দরের গড় হয়েছে, সে সকল শেয়ারের ক্ষেত্রে কমিয়ে তার নিকটবর্তী প্রাইসকে ফ্লোর প্রাইস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিএসইসি অবগত আছে। 

এক নজরে দেখে নিন বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী কোন কোম্পানির ফ্লোর প্রাইজ কত: