দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদ ২০১৯-২০ অর্থবছরের ব্যবসায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগের অর্থবছরে স্টক এক্সচেঞ্জটির পর্ষদ ৫ শতাংশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।

ডিএসইর এক পরিচালক শেয়ারনিউজকে বলেন, করোনার কারণে গত অর্থবছরে ব্যবসায় অবনমন হয়েছে। ওই সময় প্রায় ২ মাস পুঁজিবাজার বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া এফডিআরের সুদের হার কমে যাওয়ায় আয় কমেছে। কিন্তু ব্যয় কমেনি। এসব কারণে এবার আগের বছরের থেকে ডিভেডেন্ড ঘোষণার পরিমাণ কমে গেছে।

২০১৩ সালে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ অলাভজনক থেকে লাভজনকে রুপান্তর হয়। এরমধ্য দিয়ে ডিএসইর লভ্যাংশ ঘোষণাও শুরু হয়। সর্বপ্রথম ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ব্যবসায় ডিএসইর পর্ষদ ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করে। যা পরবর্তী ২ অর্থবছরও একই পরিমাণ ছিল। তবে ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ডিভিডেন্ডের পরিমাণ ৫ শতাংশে নেমে আসে।

২০২০ সালের ৩০ জুন ডিএসইর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০.৩০ টাকায়।

ঘোষিত ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য ডিএসইর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।