মিনিস্টার রাজশাহীকে ৫ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে ফরচুন বরিশাল। এই জয়ে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তামিম ইকবাল। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে অপরাজিত ৭৭ রানের ইনিংস।

রাজশাহীর দেওয়া ১৩৩ রানের ছোটো লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বরিশাল শুরুটা ভালো করেনি। তারা দলীয় ১ রানেই হারায় ওপেনার মেহেদী হাসান মিরাজকে। এরপর তামিম ইকবাল এবং পারভেজ হোসেন দ্বিতীয় উইকেটে যোগ করেন ৬১ রান। আর তাতেই জয়ের পথটা সুগম হয়ে যায় বরিশালের।

এরপর ইমন ২৩ রান করে ফিরলে তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন তামিম। এই দুজনে দলটিকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি হৃদয়ও। তিনি ১৭ রান করে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে ফজলে রাব্বির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুবকেও নিজের শিকার বানিয়েছেন মুগ্ধ।

বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ইরফান শুক্কুরও। তিনি তামিমের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়েছেন ৩ রান করে। বাকি সময়টা দেখেশুনে খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন তামিম। শেষ পর্যন্ত তাঁর সঙ্গী ছিলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। তামিম ৬১ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেছেন। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ২ ছক্কা আর ১০টি চারে।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেন রাজশাহীর দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত এবং আনিসুল ইসলাম ইমন। পাওয়ার প্ল শেষে ২৪ রানে শান্ত ফিরে যাওয়ার খানিক পর রনি তালুকদারকে বিদায় করেন মিরাজ। তবে আশরাফুলকে সঙ্গে নিয়ে দলকে ৫০’র ওপর নিয়ে যান আনিসুল।

১০ম ওভারে দুই রান নিতে গিয়ে রান আউটের ফাঁদে পরেন আশরাফুল। একই ওভারের শেষ বলে আনিসুলকে বিদায় করেন মিরাজ। পরের ওভারে রাব্বিকে পুল করতে গিয়ে আউট হন নুরুল হাসান। এই পরিস্থিতি থেকে দলকে উদ্ধার করেন মেহেদি এবং রাব্বি।

তাদের ব্যাটে দলীয় ১০০ পার করলেও দলীয় ১২৮ রানে ফেরেন রাব্বি। এই দুজনের ৬৫ রানের জুটি ভাঙ্গেন তাসকিন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান স্কোরবোর্ডে তোলে রাজশাহী। ২১ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৪টি নেন রাব্বি।