জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এর আগে শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি পেশ করেন তারা।

দাবিগুলো হলো- হল খুলে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আহত শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ফটক নির্মাণ করা।

তবে তাৎক্ষণিক আহত শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পূরণের ব্যবস্থা করাসহ স্থায়ী নিরাপত্তা ফটক নির্মাণের দাবি মেনে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়া ‘রাষ্ট্রীয় অনুমতি ছাড়া’ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খুলে দেওয়া সম্ভব নয় বলে শিক্ষার্থীদের জানান ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান। 

প্রক্টরের এই ঘোষণার পরই বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে আবাসিক হলের দিকে যান। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত ৬টি হলের তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। 

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম রিহান ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকালের হামলার ঘটনার পর আমরা আতঙ্কিত। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা নেই। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানিয়েছি। হলগুলো খুলে দিয়ে শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা করার কথা বলেছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে রাষ্ট্রীয় নির্দেশ ছাড়া হল খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের দুইটা দাবি মেনে নিয়েছি। আরেকটা দাবি ছিল হল খুলে দেওয়া। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা ছাড়া আমরা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারি না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাব তারা যেন কোনো অনৈতিক পদক্ষেপ না নেয়।

 

আরও পড়ুন: