বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: নেত্রকোনার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতে ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৮ মে) বেলা আড়াইটা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সময় বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয় জন।

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক কাজী আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বজ্রপাতে নিহতরা হলেন— মদন উপজেলার ফতেপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে হাফেজ মো. শরীফ (১৮) ও মুছা মিয়ার ছেলে হাফেজ রবিন (১৭)। খালিয়াজুরী উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের ওসেফ মিয়া (৬৫), বিপুল মিয়া (৩২) ও বাতুয়াইল গ্রামে একজন। তার পরিচয় জানা যায়নি। কেন্দুয়া উপজেলার কুন্ডুলী গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে কৃষক ফজলু মিয়া (৫৫) ও পাইকুড়া ইউনিয়নের বৈরাটী গ্রামের আহসান খানের ছেলে বাচ্ছু খান (৪৫)।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলার ফজলু মিয়া বাড়ির পাশে সবজি ক্ষেতে কাজ করছিলেন। এসময় বজ্রসহ বৃষ্টি নামে। হঠাৎ বজ্রপাতে মরাত্মকভাবে আহত হন তিনি। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

অপরদিকে একই উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের বৈরাটী গ্রামের আহসান খানের ছেলে বাচ্ছু খান বৈরাটী আশ্রমের পাশের মাঠে কাজ করছিলেন। হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টি নামলে বজ্রপাতে তিনিও আহত হন। তাকেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

এদিকে মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে দুজন নিহত হন। এসময় তিনজন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এছাড়াও খালিয়াজুরী উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুরের হাওরে মাছ ধরার সময় দুজন নিহত হন। এসময় আরও তিনজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক কাজী আব্দুর রহমান বলেন, ‘বজ্রপাতে সাত জন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ হাজার করে টাকা প্রদান করার জন্য ওইসব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা/এনইউ

আরও পড়ুন: