বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদকঃ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৬৬টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ফ্লোর প্রাইসে থাকা কোম্পানিগুলোকে আমরা কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছি। অনেকদিন ধরে ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকায় বাজারে এর কোন প্রভাব পড়েনি। তাই প্রথমে যেসব কোম্পানির শেয়ার দর ৫০ টাকার মধ্যে ফ্লোর প্রাইসে রয়েছে সেসব কোম্পানিগুলো থেকে ফ্লোর থেকে অব্যবহিত দেয়া হয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: বিজনেসজার্নালবিজনেসজার্নাল.বিডি

৬৬টি কোম্পানির তালিকায় রয়েছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেড, আর এন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, বাংলাদেশ সার্ভিস লিমিটেড, আইএফআইএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, জাহিন স্পিনিং লিমিটেড, রিং সাইন টেক্সটাইলস লিমিটেড, অলিম্পিক এক্সেসোরিজ লিমিটেড, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, নূরানী ডাইং অ্যান্ড সুয়েটার লিমিটেড, রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, এসইএমএল এফবিএলএফএসএল গ্রোথ ফান্ড, ইভেন্স টেক্সটাইলস লিমিটেড, প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড, মেট্রো স্পিনিং লিমিটেড, ফার কেমিক্যালস লিমিটেড, দেশ বন্ধু পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড, সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ওয়েস্টার্ণ মেরিন শিফইয়ার্ড লিমিটেড, সেন্ট্রাল ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড, বীচ হেচারীজ লিমিটেড, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড, প্রাইম টেক্সটাইলস স্পিনিং মিলস লিমিটেড, সায়হাম টেক্সটাইলস লিমিটেড, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এএফসি এগ্রো বায়োটিক লিমিটেড, বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিকস লিমিটেড, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, সিলভা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড, ইন্দোবাংলা ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড, আরগন ডেনিমস লিমিটেড।

এছাড়াও রয়েছে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, শাশা ডেনিমস লিমিটেড, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস্কয়ার নিটিং কমপোজিট লিমিটেড, ভিএফএস থ্রেড ডাইং লিমিটেড, ফোনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেড, এডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড, আরএসআরএম লিমিটেড, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ওয়াউম্যাক্স ইলেক্ট্রোড লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, সায়হাম টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেড, সোনারগা টেক্সটাইলস লিমিটেড, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গ্লোবাল হেভী কেমিক্যালস লিমিটেড, নাভানা সিএজি লিমিটেড, ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স লিমিটেড, ফারইস্ট ইসলামি লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেড উসমানিয়া গ্লাস সিট ফ্যাক্টরী লিমিটেড. খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, নাহী অ্যালোমিনিয়াম লিমিটেড, দুলা মিয়া কটোন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলস লিমিটেড, এমএল ডাইং লিমিটেড।

অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আজকের দিনের হিসেবে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এর পর যেসব কোম্পানির শেয়ার ১০০ টাকার মধ্যে ফ্লোর প্রাইসে রয়েছে সেগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। এইভাবে কয়েকটি ভাগে তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আশাকরি এর ফলে বাজারে একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি বলেন, ফ্লোর প্রাইসে থাকা কোম্পানিগুলোকে আমরা কয়েকটি ভাগে ভাগ করেছি। অনেকদিন ধরে ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকায় বাজারে এর কোন প্রভাব পড়েনি। তাই প্রথমে যেসব কোম্পানির শেয়ার দর ৫০ টাকার মধ্যে ফ্লোর প্রাইসে রয়েছে সেসব কোম্পানিগুলো থেকে ফ্লোর থেকে অব্যবহিত দেয়া হয়েছে।

এছাড়াও তিনি বলেন, আজকের দিনের হিসেবে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এর পর যেসব কোম্পানির শেয়ার ১০০ টাকার মধ্যে ফ্লোর প্রাইসে রয়েছে সেগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। এইভাবে কয়েকটি ভাগে তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আশাকরি এর ফলে বাজারে একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ঢাকা/এনইউ

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here