বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স এসোসিয়েশনের (বারভিডা) ভাইস প্রেসিডেন্ট-১ এস এম আনোয়ার সাদাতকে এসোসিয়েশনের শৃংখলা বিরোধী কার্যক্রমের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সর্বসম্মতিক্রমে বারভিডার ‘সাধারণ সদস্য পদ’ ও ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট-১ পদ’ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

গত ১৫ নভেম্বর ২০২০ তারিখে অনুষ্ঠিত বারভিডা কার্যনির্বাহী পরিষদের এক জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসোসিয়েশনের সংঘস্মারক ও সংঘবিধি’র ১০ অনুচ্ছেদ এর ১০.৪ ও ১০.৬ ধারা অনুযায়ী ১৭ নভেম্বর ২০২০ তারিখে তাকে সর্বসম্মতিক্রমে বহিষ্কার করা হয় বলে বারভিডার সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে জানানো হয়।

জানা যায়, বারভিডার সাধারণ সদস্যবৃন্দের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রতি চরম অসম্মান, বারভিডার নামে ইস্যুকৃত সরকারি চিঠি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়সহ সরকারি নানা দপ্তরে প্রতারণামূলকভাবে পাঠানো, কার্যনির্বাহী পরিষদের নামে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ এবং বারভিডার স্বার্থ-পরিপন্থী বিভিন্নধর্মী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার মাধ্যমে এসোসিয়েশনের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন করার কারণে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের  শৃঙ্খলা বিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম এবং সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যবৃন্দকে চরম অসম্মান ও হেয় প্রতিপন্ন করে বক্তব্য প্রদান করায় বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও সংশোধন না হওয়ায় জনাব আনোয়ার সাদাতকে কার্যনির্বাহী পরিষদের সর্বসম্মতিক্রমে গত ২৬ জুলাই ২০২০ তারিখে এসোসিয়েশনের ‘সাধারণ সদস্য পদ’ ও ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট-১ পদ’ থেকে ১ (এক) বছরের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। এরপরও সংগঠনের শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড অব্যহত রাখায় জনাব আনোয়ার সাদাতকে কার্যনির্বাহী পরিষদের সবর্সম্মতিক্রমে গত ১৭ নভেম্বর ২০২০ তারিখে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

বিষয় : বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স এসোসিয়েশন বারভিডা ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত