বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার এক বছর ৯ মাস পার হচ্ছিল শবনম ফারিয়া ও হারুন অর রশীদ অপু দম্পতির। এরই মধ্যে থমকে গেলো পথ। বিচ্ছেদ হলো তাদের।  ভালোবেসেই মালা বদল করেছিলেন তারা। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলেন বাকী জীবন একসঙ্গে থাকার। কিন্তু তা হলো না!

সংসার ভেঙে কেনো আলাদা হলো দুজনার পথ? শবনম ফারিয়া নিজেই জানালেন সে কথা।

শনিবার বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ হওয়ার পর বিচ্ছেদের কারণ জানিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘মানুষের জীবন নদীর মতো। কখনও জোয়ার, কখনও ভাটা। কখনও বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যায়, শীতকালে পানি শুকিয়ে যায়। আমাদের জীবনেও এমনটা হয়! আমাদের জীবনে কিছু মানুষ আসে; কেউ কেউ স্থায়ী হয়, কেউ কেউ কিছু কারণে স্থায়িত্ব ধরে রাখতে পারে না!’

শবনম ফারিয়া বলেন, ”আমার মা সব সময় একটা কথা বলেন, ‘আল্লাহর হুকুম ছাড়া একটা গাছের পাতাও নড়ে না, আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি।’ ঠিক সেভাবেই আমি আর অপু অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসাথে থাকতে। কিন্তু বিষয়টা একটা পর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়!’

তিনি আরও বলেন, ”মানুষ কী বলবে’- ভেবে নিজেদের ওপর একটু বেশিই টর্চার করে ফেলছি আমরা। জীবনটা অনেক ছোট, এতো কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কি দরকার?- এটা ভেবে এ বছরের শুরুতেই সিদ্ধান্তে আসি, আমরা একসঙ্গে থেকে আর কষ্টে থাকতে চাই না। তাও বছর খানেক সময় নিয়েছি পরস্পরকে  বুঝতে। ফাইনালি ‘আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যেই করেন’ ভেবে আমরা বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে আবারও ৫ বছরের পুরানো বন্ধুত্বে ফিরে গিয়েছি। বিয়ে বিচ্ছেদ হয়, কিন্তু ভালবাসার বিচ্ছেদ নেই! বন্ধুত্বের বিচ্ছেদ নেই! যতদিন বেঁচে আছি আমাদের ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব থাকবে!”

শুক্রবার হারুন অর রশীদ অপুর সঙ্গে শবনম ফারিয়ার বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এর মধ্যে দিয়ে অপুর সঙ্গে ফারিয়ার এক বছর নয় মাসের সংসারের আনুষ্ঠানিক ইতি ঘটে।