করোনা মোকাবিলায় সোমবার থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হতে যাচ্ছে। তার আগের দিন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

রাজধানীর হোটেল রেডিসনে রোববার (৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে ঢাকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ, চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। ঢাকার মতোই বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামেও সংগঠনটির আঞ্চলিক কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরাম নামের দুটি প্যানেল থেকে নির্বাচনে ৩৫ পরিচালক পদে মোট ৭০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা কোনো ভোটার এলেই কথা বলছেন, ভোট চাচ্ছেন। ফোনে ফোনে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে বিজিএমইএর সভাপতি ও পরিচালক প্রার্থী ড. রুবানা হক বলেন, পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটাররা সুন্দরভাবে ভোট দিচ্ছেন। আশা করছি, আমরা বিজয়ী হব। ভোটাররা বলছেন, নির্বাচনে উভয়পক্ষের তুমুল প্রতিযোগিতা হবে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: বিজনেসজার্নালবিজনেসজার্নাল.বিডি

ঢাবি অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এবার অর্থাৎ ২০১৯-২১ মেয়াদে বিজিএমইএর মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৯৫৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৫৯৭ জন। বাকি ৩৫৮ জন চট্টগ্রামের। ২০১৩ সালে ভোটার ছিলেন ৩ হাজার ১৯৬ জন। তাদের ভোটে ৩৫ জন পরিচালক নির্বাচিত হবে। বিজয়ীদের মধ্য থেকে পরে একজন সভাপতি ও সাতজন সহ সভাপতি হবেন।

নির্বাচনে অংশ নিতে প্রাথমিকভাবে সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের ৯৯ জন প্রার্থী ১০৩টি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। ৪ মার্চ ৩৩টি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়। এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন বোর্ড। এবারে নির্বাচনে ফারুক হাসানের নেতৃত্বে জোটবদ্ধভাবে সম্মিলিত পরিষদ ও স্বাধীনতা পরিষদ নির্বাচন করছে। অপরদিকে সম্মিলিত ফোরামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এ বি এম সামসুদ্দিন ও বর্তমান সভাপতি রুবানা হক।

ঢাকার ২৬ পরিচালক পদের জন্য সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- ফারুক হাসান, শহিদুল হক, আবদুল্লাহ হিল রাকিব, শহীদউল্লাহ আজিম, নীলা হোসনে আরা, মহিউদ্দিন রুবেল, জাহাঙ্গীর আলম, খন্দকার রফিকুল ইসলাম, শিরিন সালাম, তানভীর আহমেদ, ইন্তেখাবুল হামিদ, কফিল উদ্দিন আহমেদ, ইমরানূর রহমান, আশিকুর রহমান, মিরান আলী, খসরু চৌধুরী, মশিউল আজম, নাছির উদ্দিন, এস এম মান্নান, শোভন ইসলাম, মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, হারুন অর রশীদ, আরশাদ জামাল, আসিফ আশরাফ, সাজ্জাদুর রহমান মৃধা ও রাজীভ চৌধুরী।

অন্যদিকে ঢাকায় ফোরামের প্রার্থীরা হলেন- রুবানা হক, এ বি এম সামসুদ্দিন, আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, শিহাবুদৌজা চৌধুরী, এনামুল হক খান, ভিদিয়া অমৃত খান, কামাল উদ্দিন, মাশিদ রুম্মান আবদুল্লাহ, এম এ রহিম, শাহ রিয়াদ চৌধুরী, মিজানুর রহমান, খান মনিরুল আলম, এ এম মাহমুদুর রহমান, নাফিস উদ দৌলা, আসিফ ইব্রাহিম, মজুমদার আরিফুর রহমান, তাহসিন উদ্দিন খান, নাভিদুল হক, রশীদ আহমেদ হোসাইনী, ইকবাল হামিদ কোরাইশী, মাহমুদ হাসান খান, রেজওয়ান সেলিম, ফয়সাল সামাদ, রানা লায়লা হাফিজ, মেজবাহ উদ্দিন আলী ও নজরুল ইসলাম।

চট্টগ্রামে নয়টি পরিচালক পদের জন্য সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- এ এম শফিউল করিম, এম আহসানুল হক, মো. হাসান, রকিবুল আলম চৌধুরী, তানভীর হাবিব, মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা, অঞ্জন শেখর দাশ, আবসার হোসেন ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

ফোরামের প্রার্থীরা হলেন- মোহাম্মদ আতিক, মোহাম্মদ আবদুস সালাম, এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, এনামুল আজিজ চৌধুরী, শরীফ উল্লাহ, মির্জা মো. আকবর আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, রিয়াজ ওয়েজ ও খন্দকার বেলায়েত হোসেন।

বিজনেসজার্নাল/ঢাকা/এনইউ

 

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here