বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদকঃ মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও চলতি বছরের মার্চ মাসে দেশে রফতানিতে ১২.৫৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। অর্থের হিসাবে এই মাসে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের পণ্য বেশি রফতানি হয়েছে।

যদিও সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় পণ্যের রফতানি অর্জিত হয়নি। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রফতানি কম হয়েছে ১০.৭৯ শতাংশ।

অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) রফতানি কমেছে আগের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ১২ শতাংশ। এই সময়ে বাংলাদেশ মোট ২ হাজার ৮৯৩ কোটি ৮৩ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে।

বুধবার (৭ এপ্রিল) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রতিবেদন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ইপিবি’র প্রতিবেদন বলছে, একক মাস হিসেবে মার্চে রফতানি হয়েছে ৩০৭ কোটি ৬০ লাখ ডলারের পণ্য। গত বছরের একই সময় যার পরিমাণ ছিল ২৭৩ কোটি ডলার। গত ফেব্রুয়ারিতে আগের বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় রফতানি কম ছিল ৪ শতাংশের মতো।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত গেল ৯ মাসে রফতানি কমেছে আগের তুলনায় শূন্য দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ২ হাজার ৮৯৩ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ২ হাজার ৮৯৭ কোটি ডলার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকায় গত ৯ মাসে পাট ও পাটপণ্যের রফতানি বেড়েছে ২৩ শতাংশ। হোম টেক্সটাইলের রফতানি বেড়েছে ৪২ শতাংশ। এছাড়াও ওষুধের ১২ শতাংশ, কৃষিপণ্যের প্রায় ৪ শতাংশ এবং চায়ের ২৩ শতাংশ রফতানি বেড়েছে।

তবে গত ৯ মাসে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ কমেছে তৈরি পোশাক খাতের রফতানি। অন্যদিকে হিমায়িত মাছসহ সব ধরনের হিমায়িত খাদ্যের রফতানি কমেছে ৯ শতাংশের মতো। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের ৬ শতাংশের বেশি রফতানি কমেছে। ফার্নিচারের রফতানি কমেছে ১৩ শতাংশ।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, রফতানির পাশাপাশি পোশাকের দর কমে যাচ্ছে, যা বেশি ভাবিয়ে তুলেছে। ২০১৯ সালের মার্চের তুলনায় গেল মার্চে দর কমেছে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ। রফতানি বাজারগুলোতে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশেও চলতি লকডাউনের ফলে এই শিল্প আরও চাপে পড়বে। 

ঢাকা/এসএ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here