বিজনেস জার্নাল ডেস্কঃ লকডাউনের মধ্যে টানা ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে পুঁজিবাজার। প্রতিদিন বাড়ছে সূচক। একই সঙ্গে বাড়ছে বেশিরভাগ কোম্পানি এবং ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিটদর। পাশাপাশি প্রতিদিনই বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ। যদিও সিংহভাগ বিনিয়োগকারী ফোনের মাধ্যমে লেনদেন করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকালও ঊর্ধ্বমুখী ছিল পুঁজিবাজার।

বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গতকাল সকাল থেকে সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। বেশিরভাগ কোম্পানি ও ফান্ডের শেয়ার এবং ইউনিটের বিপরীতে বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা ছিল বেশি। এ কারণে দিন শেষে বাড়তে দেখা যায় লেনদেন হওয়া সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ারদর।

গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৩৫৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে দর বাড়তে দেখা যায় ১৪৩ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। পক্ষান্তরে দর কমে ১৩৫টির। বাকিগুলোর দর ছিল অপরিবর্তিত।

এদিকে গতকালের লেনদেনেও দাপট দেখিয়েছে বিমা খাত। পাশাপাশি চালকের আসনে ছিল বিবিধ খাত। মোট লেনদেনে এই দুই খাতের অবদান দেখা যায় ৫১ শতাংশ। গতকাল দিন শেষে মোট লেনদেনে বিমা খাতের একক অবদান ছিল ৩২ শতাংশ। বিনিয়োগকারীদের চাহিদা থাকার কারণে দিন শেষে এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়তে

দেখা যায়। বিমার পরের অবস্থানে ছিল বিবিধ খাত। খাতটি গতকালের মোট লেনদেনে ১৯ শতাংশ অবদান রাখতে সক্ষম হয়। আর কোনো খাতই লেনদেনে এককভাবে ১০ শতাংশ অবদান রাখতে পারেনি।

এদিকে গতকাল দিন শেষেও বাড়তে দেখা গেছে সূচক। দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ১১ পয়েন্ট

বাড়তে দেখা যায়। লেনদেন শেষে সূচকের অবস্থান হয় পাঁচ হাজার ৫৩৫ পয়েন্টে। একইভাবে লেনদেনও বাড়তে থাকে।

গতকাল ডিএসইতে মোট ৮৮৩ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে ব্লক মার্কেটের লেনদেন ছিল ৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকার। এই মার্কেটে গতকাল মোট ১৭টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়।

অন্যদিকে গতকালের লেনদেনে শেয়ারদর বৃদ্ধি ও দৌড়ে এগিয়ে ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি। গতকাল এ ধরনের ২৫৬টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানের দর বাড়ে। পাশাপাশি ৯৭টির দর কমে। আর অপরিবর্তিত ছিল ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর।

ঢাকা/জেএইচ