০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

শাহবাগে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার, যা বলছে পুলিশ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ১০১৯৭ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারাহ ফেরদৌস (৩২) নামের এক নারী চিকিৎসকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) কার্ডিওভাসকুলার কোর্সের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ট্রোকের কারণে ওই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল থেকে আজিজ সুপার মার্কেটের ১৪ তলার একটি ফ্ল্যাটে একাকী ভাড়া থাকতেন ফারাহ। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার ফুলতলায়। তিনি অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক আবদুর রশীদের বড় মেয়ে। গত ২৩ জুন দুপুরে ছোট বোনের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল তার। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার আর কোনো যোগাযোগ ছিল না। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ওই কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) একরামুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে গতকাল বিকেলে ফারাহর ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে পুলিশ। সেখানে টেবিলের ওপর মাথা নোয়ানো অবস্থায় খাটের ওপর বসা ছিলেন ফারাহ। মরদেহটিতে এরইমধ্যে পচন ধরেছিল। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে এসআই একরামুল হক বলেন, ফারাহর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তার আগে থেকে বড় কোনো শারীরিক সমস্যা ছিল না বলেও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা যেতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এই ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ছোট বোন নজুলা ফেরদৌস। নজুলা নিজেও একজন চিকিৎসক এবং বিএমইউতে নিউরোসার্জারি কোর্সে অধ্যয়নরত।

ঢাকা/আরএইচ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

শাহবাগে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার, যা বলছে পুলিশ

আপডেট: ০৪:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

রাজধানীর শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারাহ ফেরদৌস (৩২) নামের এক নারী চিকিৎসকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) কার্ডিওভাসকুলার কোর্সের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ট্রোকের কারণে ওই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল থেকে আজিজ সুপার মার্কেটের ১৪ তলার একটি ফ্ল্যাটে একাকী ভাড়া থাকতেন ফারাহ। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার ফুলতলায়। তিনি অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক আবদুর রশীদের বড় মেয়ে। গত ২৩ জুন দুপুরে ছোট বোনের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল তার। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার আর কোনো যোগাযোগ ছিল না। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ওই কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) একরামুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে গতকাল বিকেলে ফারাহর ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে পুলিশ। সেখানে টেবিলের ওপর মাথা নোয়ানো অবস্থায় খাটের ওপর বসা ছিলেন ফারাহ। মরদেহটিতে এরইমধ্যে পচন ধরেছিল। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে এসআই একরামুল হক বলেন, ফারাহর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তার আগে থেকে বড় কোনো শারীরিক সমস্যা ছিল না বলেও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা যেতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এই ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন নিহতের ছোট বোন নজুলা ফেরদৌস। নজুলা নিজেও একজন চিকিৎসক এবং বিএমইউতে নিউরোসার্জারি কোর্সে অধ্যয়নরত।

ঢাকা/আরএইচ