Bangladesh flag combined with australian flag

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহমান-এর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মান্যবর আর্ল আর মিলার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ রোববার ঢাকা চেম্বারের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

শেয়ারববাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: বিজনেসজার্নালবিজনেসজার্নাল.বিডি

এসময় যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, গত ১০ বছরে দু’দেশের বাণিজ্য ৩৭.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২০ সালে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ৭.৯৬ বিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২.১৩ বিলিয়ন এবং ৫.৮৩ বিলিয়ন ডলার।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ প্রধানত তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের পণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে থাকে, তবে সাম্প্রাতিক সময়ে পাদুকা, চামড়া, মাছ, ফার্নিচার, ঔষধ, প্লাস্টিক, খেলনা, সিরামিক ও কৃষিজাত পণ্য প্রভৃতি রপ্তানি করছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র হতে বাংলাদেশ সূতা, রড, স্টিল, বয়লার এবং ওয়েল সিড প্রভৃতি পণ্য আমদানি করে থাকে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ দেশের উদ্যোক্তাদের সাহসী মনোভাব সামনের দিনগুলো বর্হিবিশ্বে বাণিজ্য ও পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শিগগিরই ‘ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ চালু করা হবে, যার মাধ্যম মার্কিন উদ্যোক্তাদের নিকট এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের কৃষি, পর্যটন ও ইকো-টুরিজম, সমুদ্র অর্থনীতি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অটোমোবাইল প্রভৃতি খাত বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বলে উল্লেখ করেন।

বিজনেসজার্নাল/ঢাক/এনইউ

 

আরও পড়ুন: