শিল্পখাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ৩৩.৭৫%

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: গত বছরও করোনার আঁচ লেগেছিলো শিল্পখাতে, যার ফলে বিনিয়োগে দেখা দেয় ধীরগতি। তবে করোনার পর সবকিছু স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফেরায় দেশের অর্থনীতিতেও গতি আসে। বর্তমানে দেশে ফের পুরোদমে শুরু হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। গত বছর ডিসেম্বর প্রান্তিকে শিল্পখাতে ঋণ বিতরণ হয়েছিলো এক লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাস ব্যবধানে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ২ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা। যা এক বছরের ব্যবধানে শতকরা হিসাবে ৩৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

শিল্প-কলকারখানার চাকাও ঘুরছে আগের মতো। এতে দেশের অর্থনীতিও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দেশের প্রধান রপ্তানি আয়ের ৮৪ ভাগ নেতৃত্ব দেওয়া তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আদেশ আবারও আগের অবস্থানে ফিরেছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে শিল্পখাতে প্রান্তিক ঋণের প্রবৃদ্ধিও বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি-মার্চ) শেষে দেশের শিল্পখাতে মোট ঋণ বিতরণ হয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা। গত ২০২১ সালের একই সময়ে (মার্চ প্রান্তিক) ঋণ বিতরণ হয়েছিলো ৯০ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শিল্পখাতে ঋণের বিতরণ বেড়েছে ৩৬ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা।

২০২১ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে শিল্পখাতে ঋণ বিতরণ হয়েছিলো এক লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাস ব্যবধানে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ২ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা। যা এক বছরের ব্যবধানে শতকরা হিসাবে ৩৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টদের মতে, গত বছরও করোনার প্রভাব ছিলো। এ কারণে শিল্পখাতে ঋণ বিতরণ ও আদায় কম ছিলো। তবে চলতি বছর করোনার প্রকোপ কমেছে, প্রতিটি সেক্টর ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এসব কারণে ঋণ বিতরণ ও আদায় বাড়ছে।

আলোচিত সময়ে (চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক) শিল্পঋণ আদায় হয়েছে এক লাখ এক হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৮৪ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকা। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় চলতি বছর আদায় বেড়েছে ২০ দশমিক ১৪ শতাংশ।

এদিকে, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক তথা মেয়াদি শিল্পঋণ বা টার্ম লোন (বৃহৎ, মাঝারি ও ক্ষুদ্র) বিতরণের পরিমাণ ১৭ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৯ কোটি টাকা বিতরণ কমেছে।

চলতি মূলধন ঋণ বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল লোন (বৃহৎ, মাঝারি, ক্ষুদ্র খাতে) বিতরণের পরিমাণ এক লাখ ৪ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা। ২০২১ সালের একই সময়ে যা ছিলো ৭৩ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

ঢাকা/টিএ