হাউজগুলোতে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে: শিবলী রুবাইয়াত

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম গতকাল বুধবার (২৮ জুন) রাতে বেসরকারি একটি টেলিভিশনে পুঁজিবাজার নিয়ে দেওয়া সাক্ষাতকারে বলেন, কনসোলিডেটেড কাস্টমার অ্যাকাউন্ট অবৈধভাবে ব্যবহার করার কোন সুযোগ আর নেই। সেটি একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যেসব হাউজ এই অনিয়ম করেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করা হচ্ছে।আমাদের এখানে আর বিনিয়োগ করে কেউ পুঁজি হারাবে না।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বিএসইসি চেয়ারম্যান আরো বলেন, পুঁজিবাজার এমন একটি স্পর্শকাতর জায়গা যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ঠোঁট নড়া-চড়ার ওপরে মার্কেট নির্ভর করে। এতে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক ক্ষতিতে পড়তে হয়। তাই অনেক সময় কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কারসাজির কারণে অল্প পরিমাণ জরিমানা করার বিষয়ে তিনি বলেন, আসলে জরিমানার ব্যাপারটি একটি জাজমেন্টাল ব্যাপার। এখানে অনেক শুনানী হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে অনেক গ্রাউন্ড থাকে।

দেখা যায়, শেয়ার ব্যবসা করে যে সময় সে প্রফিটে থাকে হেয়ারিং এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সেই প্রফিট আর থাকে না। এখানে রিয়ালাইজড/আনরিয়াইজড গেইন-লসের বিষয় রয়েছে। আবার দেখা যায়, এক পোর্টফোলিওতে লাভ করলে অন্য পোর্টফোলিওতে লস করে ফেলে। তাদেরকে অনেক রিস্ক নিতে হয়। যদি তাদের প্রতি জাজমেন্টটা ঠিক মতো না হয় তাহলে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হয়ে চলে যাবে। তাই সবকিছু বিচার-বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, এটা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একটা জটিলতা ছিল সেটা আর নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক সহায়তা করছে। কিছু কোম্পানি বাদে বাকি সবাই ফান্ডে অমিমাংসিত ডিভিডেন্ডের টাকা জমা দিয়ে দিয়েছে। মার্কেট উন্নয়নে এই ফান্ড কাজ করছে। এখানে বিনিয়োগকারীদের লস হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

মার্কেটকে আরো বেশি করে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য আইসিবি’র মাধ্যমে সুবর্নজয়ন্তী ফান্ড গঠন করা হয়েছে। এছাড়া জাতির জনকের নামে আরো একটি ১০০ কোটি টাকা ফান্ড গঠনের কাজ চলছে। এগুলো মার্কেটকে সাপোর্ট দিতে থাকবে।

ঢাকা/এসএ