চলতি হিসাববছরের অনিরীক্ষিত প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ৩৩ কোম্পানি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কে অ্যান্ড কিউ: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ পয়সা।

বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে তিন টাকা ৫২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫১ পয়সা।

বিএসআরএম স্টিলস: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল সাত পয়সা।

ডেল্টা স্পিনার্স: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে চার পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ছয় পয়সা।

আল-হাজ্জ টেক্সটাইল: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক পয়সা (লোকসান)।

ফু-ওয়াং সিরামিক: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ১৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩ পয়সা।

স্কয়ার ফার্মা: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল তিন টাকা ৯৮ পয়সা।

স্কয়ার টেক্সটাইল: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৫৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৩ পয়সা।

এসকোয়্যার নিট: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৬০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮৭ পয়সা।

দি পেনিনসুলা চিটাগং: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩ পয়সা।

পদ্মা অয়েল: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৮০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫ টাকা ৮৬ পয়সা।

বীকন ফার্মা: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে এক টাকা এক পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১২ পয়সা।

অলিম্পিক অ্যাকসেসরিজ: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ১৩ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৩ পয়সা (লোকসান)।

এপেক্স ট্যানারি: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৯২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩২ পয়সা।

সামিট পাওয়ার: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৫২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ৪৪ পয়সা।

শাহজিবাজার পাওয়ার: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৬৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ২৩ পয়সা।

ফার্মা এইডস: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে চার টাকা তিন পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫ টাকা ১৫ পয়সা।

অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৫৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪১ পয়সা।

নাভানা সিএনজি: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৫ পয়সা।

এপেক্স ফুডস: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩০ পয়সা।

আরামিট সিমেন্ট: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ৯৫ পয়সা (লোকসান)।

বাংলাদেশ অটোকারস: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২০ পয়সা।

ফাইন ফুডস: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৩ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫০ পয়সা।

জাহিন স্পিনিং: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে চার পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮৮ পয়সা (লোকসান)।

খুলনা পাওয়ার কোম্পানি: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৬৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮৫ পয়সা।

হা-ওয়েল টেক্সটাইল: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৭২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৭৮ পয়সা।

সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১০ পয়সা।

হাক্কানী পাল্প: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৪৬ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৫ পয়সা (লোকসান)।

কনফিডেন্স সিমেন্ট: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২ টাকা ৭৯ পয়সা।

ইফাদ অটোস: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৯৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৯৪ পয়সা।

স্টাইলক্রাফট: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৬ পয়সা।

কেডিএস অ্যাকসেসরিজ: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৭৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮৫ পয়সা।

ভিএফএস থ্রেড: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২০) ইপিএস হয়েছে ৪৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫৯ পয়সা।