৫৮ কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫৮ কোম্পানির বিভিন্ন প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলো হলো-

ইউনিলিভার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৯ টাকা ৪১ পয়সা (বেসিক অ্যান্ড ডাইলুটেড ফর কন্টিনিউয়িং অপারেশন)।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৮ টাকা ৫৯ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২৪ টাকা ৩৬ পয়সা (বেসিক অ্যান্ড ডাইলুটেড ফর কন্টিনিউয়িং অপারেশন)।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১৫ টাকা ৯৫ পয়সা, যা গত বছর ৬ টাকা ৪৯ পয়সা ছিল।
গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৯৭ টাকা ৬৭ পয়সা।

এক্সিম ব্যাংক: প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস শেয়ার প্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৮৪ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৯৬ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস শেয়ার প্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৮৯ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৭ টাকা ৪৬ পয়সা, যা গত বছর মাইনাস ১৪ টাকা ৫২ পয়সা ছিল।

গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২২ টাকা ৫৫ পয়সা।

রেকিট বেনকিাজার : দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩২ টাকা ৬৪ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩৩ টাকা ৪৭ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬২ টাকা ৩ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে যার ছিল ৫৭ টাকা ৫১ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১৪৩ টাকা ৯৬ পয়সা, যা গত বছর ২১১ টাকা ৯৮ পয়সা ছিল।

গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৩২ টাকা ৯৮ পয়সা।

ট্রাস্ট ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২১-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৪১ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৯ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪২ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা পয়সা ছিল (রিস্টেটেড)।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ২ টাকা ৮৪ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৩৭ টাকা ৮৬ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩০ টাকা ৭০ পয়সা

ইউনাইটেড ফাইন্যান্স: প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫০ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ২৭ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো মাইনাস ২ টাকা ৬৫ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল মাইনাস ৪ টাকা ৬২ পয়সা।

ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৬ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৪৭ পয়সা।

অন্যদিকে, প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাক ৯ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল এক টাকা ২৫ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো এক টাকা ৫ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৪ টাকা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২০ টাকা ৯১ পয়সা।

স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৩ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৫২ পয়সা।

অন্যদিকে, প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাক ৪০ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল এক টাকা ৭ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো এক টাকা ৯৯ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৬১ পয়সা। গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২০ টাকা ৪৯ পয়সা।

জনতা ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২১-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৪ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৩০ পয়সা।

অন্যদিকে, প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২১-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৮ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৭০ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো এক টাকা ৮৬ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৮৭ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ১৪ টাকা ৫৩ পয়সা।

ব্যাংক এশিয়া: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ এ ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনাসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৭০ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ২১ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ এ ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনাসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৭৫ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল এক টাকা ৩৭ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ৭ টাকা ১৫ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৯ টাকা ২৩ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত সমন্বিতভবে এ ব্যাংকের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২৩ টাকা ৮১ পয়সা।

ব্র্যাক ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ এ ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনাসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৯৬ পয়স, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ২১ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ এ ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনাসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৮৫ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৮৪ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ৩ টাকা ৩২ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ২৪ টাকা ৪৩ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত সমন্বিতভবে এ ব্যাংকের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৩৪ টাকা ৩ পয়সা।

সাউথইস্ট ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ এ ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনাসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৩৪ পয়সা, যা গত একই সময়ে ছিল ৬৩ পয়সা (রিস্টেটেড)।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ এ ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনাসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৬ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল এক টাকা ৫৯ পয়সা (রিস্টেটেড)।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ৮ টাকা ৮৩ পয়সা গত একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল মাইনাস ৩ টাকা ৬১ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত সমন্বিতভবে এ ব্যাংকের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২৭ টাকা ৯৭ পয়সা।

প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৪ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৩৬ পয়সা।

অন্যদিকে, প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৮২ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৯২ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ১৯ টাকা ৮৬ পয়সা।

ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৬ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৬৭ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাক ৮১ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল এক টাকা ৫৭ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৪৮ টাকা ৫৭ পয়সা।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় হয়েছে ৬৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির লাইফ ফান্ডের আকার বেড়েছে ২৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭ কোটি ২ লাখ টাকা।

প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির লাইফফান্ডের আকার দাঁড়িয়েছে ১৯৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। গত বছরের ৩০ জুন যার পরিমাণ ছিল ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন,২১) কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ৯৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১২০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ৫২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৭১৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

২ প্রান্তিকে তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন,২১) কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ১১৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১২০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আগের বছর কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় হয়েছিল ১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৭১৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকার।

প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকে ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকার প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৯৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ৫৭৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

এদিকে বছরের ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১)কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় বেড়েছে ৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৯৯ কোটি ২০ লাখ টাকা।

আগের বছর কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় হয়েছিল ১০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ৫৭৯ কোটি ২৮ লাখ টাকার।

আরএকে সিরামিক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫২ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসান হয়েছিল ৪৪ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসান হয়েছিল ৯ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৫১ পয়সা, যা গত বছর ৫৭ পয়সা মাইনাস ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৬ টাকা ৪৩ পয়সা যা গত বছর ছিল ১৫ টাকা ৬০ পয়সা।

নিটল ইন্সুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৩ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৭৪ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৭ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫৫ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৬৯ পয়সা মাইনাস, যা গত বছর ছিল ৭১ পয়সা।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২৮ টাকা ৬০ পয়সা যা গত বছর ছিল ২৭ টাকা ৪৪ পয়সা।

এসআইবিএল: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ১১ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২১-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৫৫ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৪৮ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৫ টাকা ২৬ পয়সা যা গত বছর ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা মাইনাস ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ১৯ টাকা ৮৪ পয়সা যা গত বছর ছিল ১৮ টাকা ৯৩ পয়সা।

ফার্স্ট প্রাইম ফাইন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত ইউনিট প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইউনিট প্রতি লোকসান ছিল ৩ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি’২১-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইউপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইউপিএস ছিল ১০ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৮ পয়সা যা গত বছর ছিল ১৯ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ১৮ টাকা ২২ পয়সা যা গত বছর ছিল ১৮ টাকা ৩ পয়সা।

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৭৯ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৫ টকা ৪৯ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ৯৬ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ১১ টাকা ১২ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪ টাকা ২৯ পয়সা মাইনাস যা গত বছর ছিল ২ টাকা ২৮ পয়সা মাইনাস।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৬৮ টাকা ৯৩ পয়সা যা গত বছর ছিল ৬২ টাকা ৯৬ পয়সা।

রূপালী ইন্সুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫১ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৪৭ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৯৫ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪৩ পয়সা যা গত বছর ছিল ৬০ পয়সা।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২২ টাকা ১৪ পয়সা যা গত বছর ছিল ২১ টাকা ৪১ পয়সা।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ১৬ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৫৪ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৮২ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা মাইনাস যা গত বছর ছিল ৮ টাকা ৯৬ পয়সা মাইনাস।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ১৯ টাকা ৪৬ পয়সা যা গত বছর ছিল ১৭ টাকা ৬ পয়সা।

সিটি ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ২৯ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ১ টাকা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ৮৫ পয়সা যা গত বছর ছিল ৩ টাকা ৪৮ পয়সা মাইনাস।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২৮ টাকা ২৪ পয়সা যা গত বছর ছিল ২৭ টাকা ৬৫ পয়সা।

আইডিএলসি: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪২ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৯৪ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬১ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৬৮ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৭ টাকা ৯৩ পয়সা যা গত বছর ছিল ৪ টাকা ৪ পয়সা।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ৩৯ টাকা ৫২ পয়সা যা গত বছর ছিল ৩৮ টাকা ৪৯ পয়সা।

পিপলস ইন্সুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬০ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৩৮ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৮১ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা যা গত বছর ছিল ৮৮ পয়সা।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২৯ টাকা ৭৪ পয়সা যা গত বছর ছিল ২৭ টাকা ৯৫ পয়সা।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৮ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৪২ পয়সা।

দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৯৭ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৮ টাকা ৯৩ পয়সা যা গত বছর ছিল ৩ টাকা ৫ পয়সা।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২২ টাকা ৫৮ পয়সা যা গত বছর ছিল ২২ টাকা ৬১ পয়সা।

প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৭৪ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৩৭ পয়সা।

অন্যদিকে, প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাক ৫৮ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ২৬ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ২৪ টাকা ৮৫ পয়সা

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন’২১) অনিরীক্ষিত ইপিএস হয়েছে ২৬ পয়সা যা গত বছর ছিল ৭৯ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮ পয়সা। গত বছরের দুই প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ১ টাকা ৩৪ পয়সা ছিল (রিস্টেটেড)।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৬০ পয়সা, যা গত বছর ছিল মাইনাস ৬ টাকা ১৬ পয়সা।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২২ টাকা ১৪ পয়সা।

ইসলামিক ফাইন্যান্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৩ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ৩২ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭৪ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ৭০ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৩ টাকা ৯৩ পয়সা, যা গত বছর ১৭ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৪ টাকা ৭৪ পয়সা।

প্রিমিয়ার ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৩৯ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৮ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ছিল ৯০ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৫ টাকা ৪৮ পয়সা, যা গত বছর ৩ টাকা ১৪ পয়সা

ডিবিএইচ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫ পয়সা। আগের বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ৭ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ১ টাকা ৫৩ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১১ টাকা ৪২ পয়সা, যা গত বছর ৪ টাকা ৫৪ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩৭ টাকা ৭৮ পয়সা।

রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৬ পয়সা। আগের বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ১ টাকা ২৭ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ২ টাকা ৪৯ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪ টাকা ৮৫ পয়সা, যা গত বছর ৪ টাকা ৫৬ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৬১ টাকা ৮১ পয়সা।

যমুনা ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪ পয়সা। আগের বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৬৫ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬৪ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ২ টাকা ৭ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১৩ টাকা ৪ পয়সা। আগের বছর ১ টাকা ৪৩ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩৪ টাকা ৯১ পয়সা।

কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭০ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫৬ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৭ পয়সা। গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৯৯ পয়সা।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১৯ টাকা ৮০ পয়সা।

পপুলার লাইফ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ৫৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার প্রিমিয়াম আয় কমেছে। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭০২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৬৪৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন,২১) কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় কমেছে ৮১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৭৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। যা আগের বছর কোম্পানিটির প্রিমিয়াম আয় হয়েছিল ৩৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আর লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৬৬১ কোটি ৬ লাখ টাকার।

বিডি ফাইন্যান্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭০ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ১১ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৭ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৪৪ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা, যা গত বছর ২ টাকা ১ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৭ টাকা ৪৬ পয়সা।

সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ পয়সা। গত একই সময়ে যার শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২০ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩১ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো মাইনাস এক টাকা ১৫ পয়সা, যা গত বছর এক টাকা ৬০ পয়সা ছিল।

গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৭ টাকা ৩৭ পয়সা।

সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১৮ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮১ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ২৫ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো মাইনাস এক টাকা ৫৮ পয়সা গত একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫৩ পয়সা।

গত ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ১৭ টাকা ৮৪ পয়সা।

প্রাইম ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ প্রাইম ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৭ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৯ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮১ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৫৫ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৭ টাকা ১৫ পয়সা। আগের বছর ছিল ৭৮ পয়সা।
৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৫ টাকা ১৮ পয়সা।

নাভানা সিএনজি: তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি কনসুলেটেড আয় হয়েছ ০৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ২৪ পয়সা।

অর্থবছরের ৯ মাসে (জুলাই’২০-মার্চ’২১) কোম্পানির শেয়ার প্রতি কনসুলেটেড আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময় আয় ৮২ পয়সা ছিল।

৩১ মার্চ ২০২১ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি কনসুলেটেড প্রকৃত সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ২৭ পয়সা।

আফতাব অটো: তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ০৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ১১ পয়সা।

অর্থবছরের ৯ মাসে (জুলাই’২০-মার্চ’২১) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ০৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় আয় ৫৮ পয়সা ছিল।

৩১ মার্চ ২০২১ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫৯ টাকা ৪০ পয়সা ।

লিন্ডে বিডি: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২২ টাকা ৫৪ পয়সা। আগের বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ৭ টাকা ৭৯ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪১ টাকা ৪২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ২৫ টাকা ১৬ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪৬ টাকা ১ পয়সা, যা গত বছর ১৩ টাকা ৭৪ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩৫৭ টাকা ১৭ পয়সা।

ম্যারিকো: প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৪ টাকা ২৯ পয়সা। আগের বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ৩১ টাকা ৬৪ পয়সা ছিল।
প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ২৭ টাকা ৩৮ পয়সা, যা গত বছর ৩৩ টাকা ৭৪ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৮৬ টাকা ২৪ পয়সা।

আইএফআইসি ব্যাংক : দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৭ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৯ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিক তথা ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৯১ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৫৯ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪ টাকা ৬৪ পয়সা, যা গত বছর ৪ টাকা ১৪ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৭ টাকা ২১ পয়সা।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১৪ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ২ টাকা ২৩ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে তথা অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৭ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ৩ টাকা ৪২ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ২৩ টাকা ৯৩ পয়সা, যা গত বছর ২৯ টাকা ১৮ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৫৩ টাকা ১৫ পয়সা।

রবি আজিয়াটা লিমিটেড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ছিল ১৩ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ছিল ১৬ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ক্যাশ ফ্লো ২ টাকা ৫৪ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১২ টাকা ৪৫ পয়সা।

হাইডেলবার্গ সিমেন্ট: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫৬ পয়সা, গত বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৩ টাকা ৩১ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন,২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ টাকা ৭৯ পয়সা। গতবছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি সমন্বিতভাবে লোকসান হয়েছিল ২ টাকা৫৪ পয়সা।

দুই প্রান্তিক ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন,২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৭৭ টাকা ৯০ পয়সা।

আইপিডিসি ফাইন্যান্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৫ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৪৫ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি’২১-জুন’২১) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৮৫ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ১৬ টাকা ৯২ পয়সা, যা গত বছর ৩ টাকা ৮২ পয়সা ছিল।
গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৫ টাকা ৮৮ পয়সা।

এনআরবিসি ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৬৭ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি’২১-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৪৯ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৭৮ পয়সা, যা গত বছর ১ টাকা ২৭ পয়সা ছিল।

গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৫ টাকা ৩০ পয়সা।

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি ৩১ পয়সা লোকসান ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৬ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ২ টাকা ৭ পয়সা, যা গত বছর মাইনাস ৩ টাকা ৫৩ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৬ টাকা ৮৯ পয়সা।

ইস্টার্ন ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৭ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ৭৮ পয়সা ছিল।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন’২১) ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫৬ পয়সা। গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ১ টাকা ৬৫ পয়সা ছিল।

দুই প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৯ টাকা ২৫ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে মাইনাস ১২ টাকা ১০ পয়সা ছিল।

৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩১ টাকা ৯৭ পয়সা।

গ্রীণডেল্টা ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২১-জুন’২১) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা, যা গত বছরের ছিল ৬৫ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি’২১-জুন’২১) কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮৭ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৬৩ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৯৫ পয়সা, যা গত বছর ১ টাকা ৪৪ পয়সা ছিল।

গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৬৫ টাকা ১৭ পয়সা।

ওয়ান ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল’২১-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৬৭ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১৮ পয়সা।

প্রথম দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি’২১-জুন’২১) সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৭ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৯২ পয়সা।

দুই প্রান্তিকে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা ১৩ পয়সা, যা গত বছর মাইনাস ৮ টাকা ৯৭ পয়সা ছিল।

গত ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৯ টাকা ৭৭ পয়সা।

ঢাকা/এসআর