০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

আইপিও পরবর্তী সময়ে কোম্পানির দায়িত্বশীলতা ও কমপ্লায়েন্স বৃদ্ধি পায়

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৩:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০২৩৮ বার দেখা হয়েছে

একটি সফল প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) মানেই কাজের শেষ নয়; বরং একটি সফল আইপিওর পরেই প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয়। আইপিও পরবর্তী সময়ে যখন একটি কোম্পানি নিয়মিতভাবে পুঁজিবাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলে, তখনই দায়িত্বশীলতা ও কমপ্লায়েন্সের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেনিং একাডেমিতে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী ‘আইপিওর অব্যাহত তালিকাভুক্তির প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপণী দিনে গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) এসব কথা বলেন বক্তারা। দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকটি কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) এবং কোম্পানি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে ডিএসই। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পরিচালক মো. আবুল কালাম, একনাবিন চার্টার্ড অ্যাকান্ট্যান্টসের পরিচালক মাহমুদুর রহমান এবং ডিএসইর লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার স্নেহাশীষ চক্রবর্তী ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলো পরিচালনা করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ডিএসইর পরিচালক মো. সাজেদুল ইসলাম। এসময় বিএসইসির পরিচালক মো. আবুল কালাম এবং ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল আমিন রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে সাজেদুল ইসলাম বলেন, আইপিও পরবর্তী পর্যায়ে স্বচ্ছতা, তথ্য প্রকাশ এবং নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বই শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বজায় রাখতে এবং পুঁজিবাজারকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

সাজেদুল ইসলাম বলেন, আইপিও পরবর্তী কমপ্লায়েন্সকে অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট ফ্রেম বা আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখা হলেও বাস্তবে এটি একটি চলমান ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা গড়ে ওঠে এবং তা সুদৃঢ় হয়।

তিনি বলেন, আইপিও পরবর্তী পর্যায়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা বিনিয়োগকারী সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যত বেশি আত্মবিশ্বাসী ও স্বচ্ছভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থাও তত বেশি বৃদ্ধি পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এই আস্থাই পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, যার সুফল ভোগ করবে বাজারের সব অংশীজন।

পরে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ডিএসইর পরিচালক মো. সাজেদুল ইসলাম প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

আইপিও পরবর্তী সময়ে কোম্পানির দায়িত্বশীলতা ও কমপ্লায়েন্স বৃদ্ধি পায়

আপডেট: ০৩:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

একটি সফল প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) মানেই কাজের শেষ নয়; বরং একটি সফল আইপিওর পরেই প্রকৃত পরীক্ষা শুরু হয়। আইপিও পরবর্তী সময়ে যখন একটি কোম্পানি নিয়মিতভাবে পুঁজিবাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলে, তখনই দায়িত্বশীলতা ও কমপ্লায়েন্সের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেনিং একাডেমিতে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী ‘আইপিওর অব্যাহত তালিকাভুক্তির প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপণী দিনে গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) এসব কথা বলেন বক্তারা। দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকটি কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) এবং কোম্পানি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে ডিএসই। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পরিচালক মো. আবুল কালাম, একনাবিন চার্টার্ড অ্যাকান্ট্যান্টসের পরিচালক মাহমুদুর রহমান এবং ডিএসইর লিস্টিং অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার স্নেহাশীষ চক্রবর্তী ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলো পরিচালনা করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ডিএসইর পরিচালক মো. সাজেদুল ইসলাম। এসময় বিএসইসির পরিচালক মো. আবুল কালাম এবং ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল আমিন রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে সাজেদুল ইসলাম বলেন, আইপিও পরবর্তী পর্যায়ে স্বচ্ছতা, তথ্য প্রকাশ এবং নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বই শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা বজায় রাখতে এবং পুঁজিবাজারকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

সাজেদুল ইসলাম বলেন, আইপিও পরবর্তী কমপ্লায়েন্সকে অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট ফ্রেম বা আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখা হলেও বাস্তবে এটি একটি চলমান ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা গড়ে ওঠে এবং তা সুদৃঢ় হয়।

তিনি বলেন, আইপিও পরবর্তী পর্যায়ে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা বিনিয়োগকারী সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যত বেশি আত্মবিশ্বাসী ও স্বচ্ছভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে, বিনিয়োগকারীদের আস্থাও তত বেশি বৃদ্ধি পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এই আস্থাই পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, যার সুফল ভোগ করবে বাজারের সব অংশীজন।

পরে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ডিএসইর পরিচালক মো. সাজেদুল ইসলাম প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।

ঢাকা/এসএইচ