০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম কাস্টমসের ৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য নিলাম হচ্ছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / ১০১৯৬ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জট নিরসন এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি কমাতে বড় ধরনের নিলাম কার্যক্রম শুরু করেছে কাস্টমস হাউস।

চলতি মার্চ মাসে ই-অকশন বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে মোট ৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কাস্টমস জানায়, দুটি ভিন্ন আদেশের আওতায় এই বিশাল পণ্যচালান নিলামে তোলা হচ্ছে। ই-অকশন-২/২০২৬: এই ধাপে ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স ও গাড়ির পার্টস। অন্যদিকে ই-অকশন-৩/২০২৬: স্থায়ী আদেশের আওতায় ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে উঠবে। এসব কন্টেইনারে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর (লিফট), মেটাল স্ক্র্যাপ ও ক্রাফট লাইনার পেপারসহ মূল্যবান সামগ্রী।

নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। আগ্রহীরা ঘরে বসেই কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে (http://auction.nbr.gov.bd) নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ই-অকশন-২ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চের দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৮ এপ্রিল তারিখ দুপুর ২টায় উন্মুক্ত করা হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানিনীতি আদেশ অনুযায়ী শর্ত পূরণ করে পণ্য খালাস করতে হবে। বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে অখালাস করা পণ্য বিক্রির এই ধারা ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

ঢাকা/এইএইচ

শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কাস্টমসের ৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য নিলাম হচ্ছে

আপডেট: ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জট নিরসন এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি কমাতে বড় ধরনের নিলাম কার্যক্রম শুরু করেছে কাস্টমস হাউস।

চলতি মার্চ মাসে ই-অকশন বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে মোট ৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কাস্টমস জানায়, দুটি ভিন্ন আদেশের আওতায় এই বিশাল পণ্যচালান নিলামে তোলা হচ্ছে। ই-অকশন-২/২০২৬: এই ধাপে ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স ও গাড়ির পার্টস। অন্যদিকে ই-অকশন-৩/২০২৬: স্থায়ী আদেশের আওতায় ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে উঠবে। এসব কন্টেইনারে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর (লিফট), মেটাল স্ক্র্যাপ ও ক্রাফট লাইনার পেপারসহ মূল্যবান সামগ্রী।

নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। আগ্রহীরা ঘরে বসেই কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে (http://auction.nbr.gov.bd) নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ই-অকশন-২ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চের দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৮ এপ্রিল তারিখ দুপুর ২টায় উন্মুক্ত করা হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানিনীতি আদেশ অনুযায়ী শর্ত পূরণ করে পণ্য খালাস করতে হবে। বন্দরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে অখালাস করা পণ্য বিক্রির এই ধারা ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

ঢাকা/এইএইচ