১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের অধিকাংশ কোম্পানির মুনাফায় অবনতি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৭:০১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ১০৪৬১ বার দেখা হয়েছে

চলতি অর্থবছরের ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ২৩টি কোম্পানির অধিকাংশগুলোর মুনাফায় অবনতি। দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা ১৯টি কোম্পানির মধ্যে আয় কমেছে ১২টির এবং ৭টির বেড়েছে। আয় কমেছে ১২টির প্রতিষ্ঠঅনের মধ্যে ২টির লোকসান বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আয় কমেছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে-

বারাকা পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫৬ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে সে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে। দুই প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৭৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৩৮ পয়সা।

বারাকা পতেঙ্গা: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭০ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে  (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা।

ইস্টার্ন লু্ব্রিকেন্টস: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬ টাকা ২৬ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৪১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৫১ পয়সা।

এনার্জি পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৫ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৪ পয়সা।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৯ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা।

লুব-রেফ বাংলাদেশ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ০৫ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮০ পয়সা।

পদ্মা অয়েল: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ২৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৯২ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির মুনাফা কেড়েছে। দুই প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৬ টাকা ১৩ পয়সা।

তিতাস গ্যাস: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯৩ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ২৬ পয়সা।

ইউননাইটেড পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৭১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৮৪ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯ টাকা ৮৫ পয়সা।

জিবিবি পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ১৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৭ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫৩ পয়সা।

লেকসান বেড়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে-

খুলনা পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ১২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ০৩ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে। দুই প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ০৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ২ টাকা।

ডেসকো: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ০৮ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৯২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২১ পয়সা।

আয় বেড়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে-

সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১২ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৭৪ পয়সা।

যমুনা অয়েল: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯ টাকা ২৯ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ২৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৪১ পয়সা।

এমজেএল বাংলাদেশ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা ০৫ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ০১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ১৬ পয়সা।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ০৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৩৪ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৭ টাকা ০৪ পয়সা।

লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো-

পাওয়ার গ্রীড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৪ টাকা ৩০ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৩ টাকা ০৮ পয়সা।

শাহজিবাজার পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ৩৩ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৯১ পয়সা।

ডরিন পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ০৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭৬ পয়সা।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের অধিকাংশ কোম্পানির মুনাফায় অবনতি

আপডেট: ০৭:০১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চলতি অর্থবছরের ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ২৩টি কোম্পানির অধিকাংশগুলোর মুনাফায় অবনতি। দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা ১৯টি কোম্পানির মধ্যে আয় কমেছে ১২টির এবং ৭টির বেড়েছে। আয় কমেছে ১২টির প্রতিষ্ঠঅনের মধ্যে ২টির লোকসান বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আয় কমেছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে-

বারাকা পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫৬ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে সে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে। দুই প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৭৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৩৮ পয়সা।

বারাকা পতেঙ্গা: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭০ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে  (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা।

ইস্টার্ন লু্ব্রিকেন্টস: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬ টাকা ২৬ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৪১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৫১ পয়সা।

এনার্জি পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৫ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৪ পয়সা।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৯ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা।

লুব-রেফ বাংলাদেশ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ০৫ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮০ পয়সা।

পদ্মা অয়েল: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ২৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৯২ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির মুনাফা কেড়েছে। দুই প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৬ টাকা ১৩ পয়সা।

তিতাস গ্যাস: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯৩ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ২৬ পয়সা।

ইউননাইটেড পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৭১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৮৪ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯ টাকা ৮৫ পয়সা।

জিবিবি পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ১৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৭ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৫৩ পয়সা।

লেকসান বেড়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে-

খুলনা পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ১২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ০৩ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে। দুই প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ০৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ২ টাকা।

ডেসকো: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ০৮ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৯২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২১ পয়সা।

আয় বেড়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে-

সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১২ পয়সা।

অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৭৪ পয়সা।

যমুনা অয়েল: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯ টাকা ২৯ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ২৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৪১ পয়সা।

এমজেএল বাংলাদেশ: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা ০৫ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ০১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ১৬ পয়সা।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম: অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ০৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৮ টাকা ৩৪ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৭ টাকা ০৪ পয়সা।

লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় যেসব প্রতিষ্ঠানগুলো-

পাওয়ার গ্রীড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৪ টাকা ৩০ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৩ টাকা ০৮ পয়সা।

শাহজিবাজার পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ৩৩ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৯১ পয়সা।

ডরিন পাওয়ার: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ০৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৩) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭৬ পয়সা।

ঢাকা/এসএ