০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

দেশে কিডনি রোগী দুই কোটি, ২৫ শতাংশই শিশু

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১
  • / ১০৪৬৩ বার দেখা হয়েছে

বিশ্বের প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন মানুষ কিডনির রোগে ভুগছেন, যা ডায়াবেটিস রোগীর দ্বিগুণ। বাংলাদেশেও দিনে দিনে বাড়ছে কিডনি রোগীর সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে, দেশে বর্তমানে কম হলেও ২ কোটি মানুষ নানা ধরনের কিডনি সমস্যায় ভুগছেন। তবে আশঙ্কার কথা হলো এদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশই (২৫ শতাংশ) ১৮ বছরের কম বয়সী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিশু কিডনি বিভাগের অধ্যাপক ও পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের (পিএনএসবি) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আফরোজা বেগম এ তথ্য জানান। আজ বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে বিএসএমএমইউয়ে শহীদ মিলন হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।

শেয়ারববাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:বিজনেসজার্নালবিজনেসজার্নাল.বিডি

ডা. আফরোজা জানান, ২০১৮ সালের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় ৫০ হাজার শিশু দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে ভুগছে, যাদের মাত্র ১০ ভাগ পরিপূর্ণ বা আংশিক চিকিৎসা নিয়েছে। বিএসএমএমইউয়ে এ পর্যন্ত ১১ জন কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন বলে এসময় জানানো হয়। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসহ কয়েকটি সেন্টারে কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে বলে জানান ডা. আফরোজা।

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউ উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, কিডনি রোগ থেকে বাঁচতে সর্বপ্রথম আমাদের জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। একই সাথে চিকিৎসা খরচ আরও সহজলভ্য করতে হবে। এখনও দেশের কোনো উপজেলায় কেউ কিডনিতে আক্রান্ত হলে, কোনো বিশেষজ্ঞ দেখাতে পারেন না, এমনকি জেলা পর্যায়েও একই অবস্থা।

তিনি বলেন, সবখানে ডায়ালাইসিস স্থাপনে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছি, সরকারও ব্যবস্থা নিচ্ছে। চিকিৎসায় ব্যয় বাড়াতে সরকারকে আরও পরামর্শ দেওয়া দরকার, এতে করে সরকার সহজে পদক্ষেপ নিতে পারবে। বিএসএমএমইউয়ে নেফ্রোলজিস্ট ডিপার্টমেন্টকে আরও বড় করার চেষ্টা চলছে। শিশু কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় সকল সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি আমরা, যোগ করেন ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

বিজনেসজার্নাল/ঢাকা/টিআর

 

আরও পড়ুন:

শেয়ার করুন

দেশে কিডনি রোগী দুই কোটি, ২৫ শতাংশই শিশু

আপডেট: ০২:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

বিশ্বের প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন মানুষ কিডনির রোগে ভুগছেন, যা ডায়াবেটিস রোগীর দ্বিগুণ। বাংলাদেশেও দিনে দিনে বাড়ছে কিডনি রোগীর সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে, দেশে বর্তমানে কম হলেও ২ কোটি মানুষ নানা ধরনের কিডনি সমস্যায় ভুগছেন। তবে আশঙ্কার কথা হলো এদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশই (২৫ শতাংশ) ১৮ বছরের কম বয়সী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিশু কিডনি বিভাগের অধ্যাপক ও পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের (পিএনএসবি) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আফরোজা বেগম এ তথ্য জানান। আজ বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে বিএসএমএমইউয়ে শহীদ মিলন হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।

শেয়ারববাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:বিজনেসজার্নালবিজনেসজার্নাল.বিডি

ডা. আফরোজা জানান, ২০১৮ সালের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় ৫০ হাজার শিশু দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে ভুগছে, যাদের মাত্র ১০ ভাগ পরিপূর্ণ বা আংশিক চিকিৎসা নিয়েছে। বিএসএমএমইউয়ে এ পর্যন্ত ১১ জন কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন বলে এসময় জানানো হয়। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসহ কয়েকটি সেন্টারে কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে বলে জানান ডা. আফরোজা।

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউ উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, কিডনি রোগ থেকে বাঁচতে সর্বপ্রথম আমাদের জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। একই সাথে চিকিৎসা খরচ আরও সহজলভ্য করতে হবে। এখনও দেশের কোনো উপজেলায় কেউ কিডনিতে আক্রান্ত হলে, কোনো বিশেষজ্ঞ দেখাতে পারেন না, এমনকি জেলা পর্যায়েও একই অবস্থা।

তিনি বলেন, সবখানে ডায়ালাইসিস স্থাপনে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছি, সরকারও ব্যবস্থা নিচ্ছে। চিকিৎসায় ব্যয় বাড়াতে সরকারকে আরও পরামর্শ দেওয়া দরকার, এতে করে সরকার সহজে পদক্ষেপ নিতে পারবে। বিএসএমএমইউয়ে নেফ্রোলজিস্ট ডিপার্টমেন্টকে আরও বড় করার চেষ্টা চলছে। শিশু কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় সকল সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি আমরা, যোগ করেন ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

বিজনেসজার্নাল/ঢাকা/টিআর

 

আরও পড়ুন: